রাজ্যবাসীর মনে আলোর রোশনাই এনে দিতে চাই, তমলুকে বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: এরাজ্যের মানুষের জীবনে আলোর রোশনাই এনে দেব। এটাই মায়ের কাছে প্রার্থনা। শনিবার তমলুক শহরে উত্তরায়ণ ক্লাবের কালীপুজো উদ্বোধনে এসে একথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আলোর এই উৎসবে চাইব, রাজ্যে শিল্প আসুক। বাণিজ্যে শ্রীবৃদ্ধি হোক। আগামী দিনে বিনিয়োগ আসবে। সরকারি ও বেসরকারি স্তরে চাকরি হবে। সবাই শান্তিতে থাকবেন। তোলাবাজি, কাটমানি, সিন্ডিকেট রাজ ও ভয়ের পরিবেশ, তোষণের রাজনীতি এই বাংলা থেকে চিরতরে মুছে দেব।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই বঙ্গভূমি মা কালীর জায়গা। আমরা এরাজ্যের সনাতনীরা মা কালীর বিশেষ ভক্ত। আমরা কোথাও শ্যামা মায়ের নামে, কোথাও বর্গভীমা কিংবা ভবতারিণী অথবা দক্ষিণেশ্বরের নামে মায়ের পুজো দিই। মা কালীর শক্তি আমরা চোখে দেখতে পাইনা। কিন্তু, কাজে বুঝতে পারি। ২০২৫সালে যার নির্দেশে মা কালীকে কাকদ্বীপের সূর্যনগরে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছিল এবার মহালয়ার দিন দেবীপক্ষের সূচনায় পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তাঁকেই ওঠতে হয়েছে। এটা আমরা আগাম কেউ জানতে পারিনি। এটাই হল মায়ের আসল শক্তি।

তিনি আরও বলেন, আমি নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার আগে তমলুকে বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়েছিলাম। মা আশীর্বাদ দিয়েছিলেন-‘জয়তু ভব’। রবিবার পুজোর দিন তমলুক শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। কলস নিয়ে সবাই বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে শোভাযাত্রা করে যান। মা বর্গভীমাকে পুজো দিয়ে সবাই নিজের নিজের এলাকায় পুজোয় শামিল হন। এটা অনেক দিনের ঐতিহ্য। আমি ছাত্রাবস্থা থেকেই তমলুকে এটা দেখে আসছি। শহরে অতি সুন্দর মণ্ডপ হয়েছে। আমি চাই, সুন্দরভাবে পুজো সম্পন্ন হবে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে গ্রিন বাজি ফাটাবেন। আমার আনন্দ যেন অপরের নিরানন্দের কারণ না হয় এটা দেখবেন।