Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ফলো-অনের পর লড়ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

প্রথম টেস্ট আড়াইদিনে শেষ হয়েছিল। দ্বিতীয় টেস্ট অন্তত চতুর্থ দিনে নিয়ে যেতে পেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলো-অনের পর অনেকেই মনে করেছিলেন যে, রোস্টন চেজের দল রবিবারই গুটিয়ে যেতে পারে।

ফলো-অনের পর লড়ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  • ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: প্রথম টেস্ট আড়াইদিনে শেষ হয়েছিল। দ্বিতীয় টেস্ট অন্তত চতুর্থ দিনে নিয়ে যেতে পেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলো-অনের পর অনেকেই মনে করেছিলেন যে, রোস্টন চেজের দল রবিবারই গুটিয়ে যেতে পারে। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে জন ক্যাম্ববেল এবং শাই হোপের মরিয়া লড়াই কিছুটা অক্সিজেন জুগিয়েছে ক্যারিবিয়ানদের। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে দু’জনে যোগ করেছেন ১৩৮, যা এই সিরিজে সফরকারী দলের কোনও জুটির সর্বাধিক সংগ্রহ। প্রকৃতপক্ষে চলতি বছরে এটাই তাদের সেরা জুটি। ক্যাম্ববেল খেলছেন ৮৭ রানে। চলতি সিরিজে এটাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে সোমবার বাঁ-হাতি ওপেনারের দরকার মাত্র ১৩ রান। সঙ্গী শাই হোপের নামের পাশে ৬৬। টেস্টে গত ৩১ ইনিংসে এটা তাঁর প্রথম পঞ্চাশ। তবে ইনিংসে পরাজয় এড়াতে এখনও ৯৭ রান লাগবে ক্যারিবিয়ানদের।

Advertisement

প্রথম ইনিংসে তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ধসে পড়েছিল তাদের ব্যাটিং লাইন-আপ। রবিবার সকালে কুলদীপ যাদবের সামনে রীতিমতো আত্মসমর্পণ করেন রোস্টন চেজরা। এদিন ১৪০-৪ নিয়ে শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুরন্ত ডেলিভারিতে হোপকে বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন কুলদীপই। পরের ওভারেই চায়নাম্যান ফেরান তেভিন ইমল্যাচকে। কিছুক্ষণের মধ্যে জাস্টিন গ্রিভসও তাঁর শিকারে পরিণত হন। মহম্মদ সিরাজ এরপর বোল্ড করেন জোমেল ওয়ারিক্যানকে। চাপের মুখে খারি পিয়েরে ও অ্যান্ডারসন ফিলিপ ১৬.৫ ওভার টিকে থাকেন। শেষ পর্যন্ত যশপ্রীত বুমরাহর রিভার্স সুইং ছিটকে দেয় পিয়েরেরা স্টাম্প। শেষ উইকেটেও জেডন সিয়েলসের সঙ্গে ফিলিপ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। শেষ পর্যন্ত আড়াইশোর ঠিক আগে দাঁড়ি পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে। সিয়েলসকে এলবিডব্লু করে টেস্ট কেরিয়ারের পঞ্চম পাঁচ উইকেট নেন কুলদীপ।  
কোটলা টেস্ট দ্রুত শেষ করার তাগিদে ফলো-অনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রথম ইনিংসের হিসেবে শুভমান গিল ব্রিগেডের লিড ২৭০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারী দলের প্রথম দুই উইকেট পড়ে মাত্র ৩৫ রানে। সিরাজের বলে ত্যাগনারায়ণ চন্দ্রপালের ক্যাচ অবিশ্বাস্য দক্ষতায় শরীর ছুড়ে তালুবন্দি করেন ক্যাপ্টেন গিল, এই সিরিজের যা অন্যতম সেরা ক্যাচ। এরপর ওয়াশিংটন সুন্দরের হাত থেকে বের হয় দিনের সেরা ডেলিভারি। চায়ের বিরতির ঠিক আগে অ্যালিক আথানাজেকে বোল্ড করেন তিনি। তখন মনে হচ্ছিল, দ্রুত ধস নামতে চলেছে বিপক্ষ ইনিংসে। কিন্তু শেষ বেলায় জাদেজা, কুলদীপদের হতাশ করে লড়াই চালায় ক্যাম্ববেল-হোপ জুটি। বুমরাহকে অনেক  দেরিতে আক্রমণে আনা নিয়ে সেজন্যই প্রশ্ন উঠছে। তাঁকে মাত্র চার ওভার বল করানোতেও দানা বাঁধছে সংশয়। তবে কি তিনি পুরো ফিট নন? সংশয় অমূলক নয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ