Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চের ‘দখলদারি’ ঘিরে বেআব্রু রাজ্য বিজেপির কোন্দল

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা ঘিরেও বঙ্গ বিজেপিতে গোষ্ঠী কোন্দল চরমে। নিয়ম অনুযায়ী, পার্টির সর্বোচ্চ এই নেতার সভায় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চের ‘দখলদারি’ ঘিরে বেআব্রু রাজ্য বিজেপির কোন্দল
  • ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা ঘিরেও বঙ্গ বিজেপিতে গোষ্ঠী কোন্দল চরমে। নিয়ম অনুযায়ী, পার্টির সর্বোচ্চ এই নেতার সভায় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মোদির তিনটি সভাতেই ‘ব্রাত্য’ থেকেছেন দিলীপ ঘোষ। যদিও তাঁর সভাপতিত্বে বাংলায় গেরুয়া পার্টি লোকসভা ও বিধানসভায় ৭০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে বেশি আসন জিতেছিল। এবার শুধু দিলীপ ঘোষেই বিষয়টি আটকে ছিল না। শুক্রবার দমদমে প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমন্ত্রণই পাননি দলের অন্যতম রাজ্য সাধারন সম্পাদক তথা প্রাক্তন এমপি লকেট চট্টেপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় শাসকদলের রাজ্য ইউনিটে গোষ্ঠীবাজি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে ইচ্ছামতো দলের নিয়মকানুন মানা হচ্ছে না। সূত্রের দাবি, ‌লকেট চট্টোপাধ্যায়কে মঞ্চে না দেখতে পেয়ে তাঁকে ফোন করেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। লকেট জানান‌, তাঁকে কেউ প্রধানমন্ত্রী সভায় যেতে বলেনি। আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ না জানালেও, প্রধানমন্ত্রীর মতো ভিভিআইপি’দের সভামঞ্চে ওঠা যায় না। কারণ, এই ধরনের সভায় নিরাপত্তার সার্বিক নিয়ন্ত্রণ বহুদিন আগে থেকেই হাতে তুলে নেয় স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)। স্বভাবতই পার্টির তরফে পাঠানো নামের তালিকা দেখে মঞ্চে ওঠার আগাম অনুপত্র পত্র দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট নেতা-নেত্রীদের। এ প্রসঙ্গে দলের এক নেতা বলেন, শুক্রবার মঞ্চে বহু নব্য ও তৎকাল নেতাদের দেখা গিয়েছে। সুকান্ত মজুমদার জমানায় গুটি কয়েক স্বর্থান্বেষী নেতা নিজেদের আখের গোছাতে গ্রুপ তৈরি করেছিলেন। সেই ট্রাডিশন শমীকবাবুর আমলেও বহাল রয়েছে। বিষয়টি নির্দিষ্ট জায়গায় জানানো হয়েছে। দেখা যাক অবস্থার পরিবর্তন হয় কি না। তবে লকেটদেবীকে আমন্ত্রণ না জানানো, অত্যন্ত দুভার্গ্যজনক ঘটনা বলে মনে করেন তিনি।  

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ