Bartaman Logo
১০ জুলাই, ২০২৬

পশ্চিম এশিয়ায় সংকটের জের: ভারতের ক্ষতির বহর হতে পারে ২.১ লক্ষ কোটি

যুদ্ধ আবহে তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। সংঘর্ষ বিরতি চললেও উদ্বেগ অব্যাহত। হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার আঁচ ভারতের অর্থনীতিতেও।

পশ্চিম এশিয়ায় সংকটের জের: ভারতের ক্ষতির বহর হতে পারে ২.১ লক্ষ কোটি
  • ২৪ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: যুদ্ধ আবহে তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। সংঘর্ষ বিরতি চললেও উদ্বেগ অব্যাহত। হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার আঁচ ভারতের অর্থনীতিতেও। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে ভারতের প্রায় ২.১ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন ব্যাংক অব বরোদা (বিওবি)-র অর্থনীতিবিদরা। শুক্রবার তাঁরা জানিয়েছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি ৬.৫ থেকে ৬.৮ শতাংশের মধ্যে থাকবে বলে ধরা হয়েছে। তবে আর্থিক ঘাটতির হার জিডিপির ৪.৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৭-৪.৮ হতে পারে। এর ফলে ভারতের কোষাগারে ২.১ লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এরফলে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে ১৮ বা ১৮.৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে। 

Advertisement

এব্যাপারে মূলত তিনটি কারণ উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অর্থনীতিবিদরা। তাঁদের ব্যাখ্যা, প্রথমত ২০২৭ অর্থবর্ষে সারের ভরতুকি বাবদ ১.৭ লক্ষ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু, পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির জেরে জ্বালানি গ্যাসের দাম অনেকটাই বেড়েছে। ফলে ইউরিয়া উৎপাদনে খরচও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।  তার ধাক্কায় এক্ষেত্রে ভরতুকির পরিমাণ ৩৪ হাজার থেকে ৫০ হাজার কোটি বেড়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে লিটার প্রতি ১০ টাকা স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্র। তার জেরে কোষাগারে  ১.৩ লক্ষ কোটি টাকার ধাক্কা লাগবে। তৃতীয়ত, তেল সংস্থাগুলির প্রতিদিন ৭৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। ত্রৈমাসিকে এর পরিমাণ প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে ডিভিডেন্ড থেকে আয় ও কর্পোরেট কর আদায়ে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সবমিলিয়ে ক্ষতির অঙ্ক ২.১ লক্ষ কোটিতে পৌঁছে যেতে পারে বলে মত ব্যাংকের অর্থনীতিবিদদের।    

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ