Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিনা হেলমেটে ধরায় ঢালাই ব্রিজে সার্জেন্টকে মার, ধৃত ১

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, পুলিশের গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তারপরই সক্রিয় হয়েছে সমস্ত থানা ও ট্রাফিক গার্ড।

বিনা হেলমেটে ধরায় ঢালাই ব্রিজে সার্জেন্টকে মার, ধৃত ১
  • ২৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, পুলিশের গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তারপরই সক্রিয় হয়েছে সমস্ত থানা ও ট্রাফিক গার্ড। হেলমেটহীন বাইকচালকদের ধরতে কোমর বেঁধেছে লালবাজার। তা করতে গিয়ে পুলিশকে অনেক জায়গায় বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। পাটুলির ঢালাই ব্রিজে হেলমেটহীন বাইকচালককে ধরায় শনিবার রাতে আক্রান্ত হতে হয়েছে এক সার্জেন্টকে। বাইকের পিছনে থাকা যাত্রীর মারে হাতের আঙুল ভেঙেছে ওই অফিসারের। ঘটনায় আহত হয়েছেন এক কনস্টেবল ও সিভিক ভলান্টিয়ার। অভিযুক্ত আব্দুল আসিফকে গ্রেপ্তার করেছে পাটুলি থানা। দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের কাজে বাধাদান, মারধর সহ একাধিক ধারায় কেস রুজু হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে গড়িয়া ট্রাফিক গার্ডের সার্জেন্ট সুদীপ্ত মৈত্রর নেতৃত্বে ঢালাই ব্রিজ এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল। তিনি খেয়াল করেন, কামালগাজির দিক থেকে একটি বাইকে চড়ে তিনজন দ্রুতগতিতে আসছে। তাদের কারও মাথায় হেলমেট নেই। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা ঢালাই ব্রিজে থাকা গার্ড রেল টেনে দেন। যাতে বাইকটি পালিয়ে যেতে না পারে। তাসত্ত্বেও বাইকটি পুলিশকে এড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ কর্মীরা বাইকটি ধরে ফেলেন। সার্জেন্ট তিনজনকে বাইক থেকে নেমে আসতে বললেও কেউ তাতে কান দেয়নি। উলটে কেন তাদের বাইক আটকানো হয়েছে, তার কারণ জানতে চায়। কর্তব্যরত অফিসার বলেন, হেলমেট না পরায় তাদের জরিমানা করা হবে। একথা শোনার পরই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে তিনজন। তারা পুলিশের সঙ্গে দুর্বব্যহার করে বলে অভিযোগ। এই সময় বাইকের পিছনে থাকা এক যুবক নেমে এসে সার্জেন্টকে কেস লিখতে বাধা দেয়। তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। ওই সার্জেন্টকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন কনস্টেবল ও এক সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁরাও আক্রান্ত হন অভিযুক্তদের হাতে। এরমধ্যে দুই অভিযুক্ত বাইক নিয়ে পালায়। তৃতীয়জন আব্দুল ধরা পড়ে যায়। তাকে আটক করা হয়। পরে পাটুলি থানার পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। 
এদিকে, আহত সার্জেন্টকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে এক্স-রে করে জানা যায়, তাঁর আঙুল ভেঙে গিয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করলে মামলা রুজু করে গ্রেপ্তার করা হয় আব্দুলকে। জানা গিয়েছে, সে অ্যাপ বাইকচালক। পলাতকরা সকলেই নরেন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা। বাইকের নম্বর ধরে তাদের খোঁজ চলছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ