ওজন বেড়ে যাওয়াটাই শাপে বর হয়েছে মনীষার
  • ১ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: এশিয়ান গেমসে খালি হাতে ম্যাট ছাড়ার সময় হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন মনীষা। সেই সময় তাঁকে সাহস জোগান কোচ বীরেন্দ্র দাহিয়া। সামান্য বিরতির পর তাঁর পরামর্শে শুরু করেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ওজন বৃদ্ধি। তাই পছন্দের ৫৭ কেজি বিভাগ ছেড়ে ৫৯ কেজি বিভাগে লড়ার জন্য তৈরি করেন নিজেকে। তাতেই মেলে সাফল্য। বলা ভালো, ওজন বেড়ে যাওয়াটাই শাপে বর হয়েছে তাঁর কাছে। শুক্রবার সোনার লড়াইয়ে আমেরিকার এলিজাবেথ নেটকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েন ২৯ বছর বয়সি কুস্তিগির। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনাজয়ী ভারতের প্রথম মহিলা কুস্তিগির যে তিনিই!

Advertisement

শনিবার দেশে ফিরে আবেগের জোয়ারে ভাসলেন মনীষা। কাজাখস্তানের সাফল্যের বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এশিয়াডের প্রস্তুতি দারুণ হয়েছিল। ভেবেছিলাম, পদক নিয়ে ফিরব। কিন্তু হয়নি। হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় বীরেন্দ্র স্যার আমাকে ভরসা জোগান। তাঁর কথাতেই হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই।’ ফাইনালে একটা সময় ০-৬ পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন ভারতীয় কুস্তিগির। কিন্তু হাল ছাড়েননি তিনি। মনীষা বলেন, ‘আমাকে ঘিরে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। তাই প্রচণ্ড চাপে ছিলাম। তবে আত্মবিশ্বাস হারাইনি। প্রতিপক্ষ বড়ো ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর নিজেকে এই বলে উদ্বুদ্ধ করেছিলাম যে, আমার হারানোর কিছু নেই। তাই একটা শেষ চেষ্টা করেই দেখি না! আর তাতেই বাজিমাত।’ ২০২২ সালে বাবাকে হারান মনীষা। তারকা কুস্তিগিরের মন্তব্য, ‘এই দিনটা বাবা দেখে যেতে পারলেন না। ভাবলেই চোখে জল চলে আসছে। তবে তিনি সব সময় আমার হৃদয়ে রয়েছেন।’