নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরে কিছু কিছু জটিলতার কথা উঠে আসছে প্রার্থীদের মধ্যে থেকে। সোমবার রাত পৌনে আটটার পরে ফলপ্রকাশ হয়। তবে, ওয়েবসাইট না খোলায় দীর্ঘক্ষণ তা দেখতে পাননি প্রার্থীরা। পরে, হেল্প ডেস্ক পোর্টালটিকেই এসএসসির মূল ওয়েবসাইটে পরিণত করা হয়েছে। তাতেই রেজাল্ট ডিসপ্লে সিস্টেম নামে একটি লিংক দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ফল দেখতে পেরেছেন প্রার্থীরা। এদিকে, প্রধান ওয়েবসাইটটিকে একাদশ-দ্বাদশের ফল দেখা, ইন্টারভিউয়ের ইন্টিমেশন লেটার ডাউনলোড প্রভৃতি কাজের জন্য রাখা হয়েছে। পুরোনো ওয়েবসাইটটিতে থাকছে শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি। ওয়েবসাইটটা জটিলতা অনেক প্রার্থীই বুঝতে না পেরে বিভ্রান্ত হচ্ছেন।
নদীয়ার ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের এক যোগ্য চাকরিবহারা প্রার্থীর নম্বর অপ্রকাশিত রয়েছে। তাঁকে ফোনে বলা হয়, ইনভিজিলেটরের সই নিয়ে কিছু সমস্যা থাকায় তাঁর ফলটি স্থগিত রাখা হয়েছে। তিনি এসএসসির এক কর্মীর ইমেলে তাঁর নির্দেশমতো ওএমআরের ছবি পাঠান। মঙ্গলবার এসএসসি অফিসেও যান। তবে, তাঁর কাছ থেকে আর কোনও তথ্য নেওয়া হয়নি। পরে তাঁর সঙ্গে এসএসসির তরফে যোগাযোগ করা হবে বলে জানানো হয়। তবে, যে কারণে তাঁর ফল স্থগিত রাখার কথা বলা হচ্ছে, তা অন্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে খাটছে না। একই ইনভিজিলেটরের সই থাকা সেই প্রার্থীর নম্বর অনলাইনে দেখা যাচ্ছে। তাই তিনি প্রবল দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
এদিকে, এসএসসির এক আধিকারিক এদিন জানিয়েছেন, সোমবার মডেল ‘আনসার কি’ প্রকাশ করা না গেলেও মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তা প্রকাশ করা হবে। এটা নিয়েও প্রার্থীরা কৌতূহলী হয়ে ছিলেন দিনভর। রাত পর্যন্ত অবশ্য সেই আনসার কি দেখতে পারেননি প্রার্থীরা। এদিকে সূত্রের খবর, ৪ ডিসেম্বর উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ শেষ হওয়ার পরেই নবম-দশমের প্রার্থীদের প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থাৎ, তার পরেই ভেরিফিকেশনের জন্য ডাক পাওয়া প্রার্থীদের তালিকা, ইন্টারভিউয়ের নির্ঘণ্ট প্রভৃতি প্রকাশ করা হবে। ফলে, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে বড়োসড়ো প্রশ্নচিহ্ন থাকছেই।