নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল দলীয় কাউন্সিলারের দলবলের বিরুদ্ধে। শূন্যে গুলি চালানোর অভিযোগও জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা। ওই ঘটনায় ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করল খড়দহ থানার পুলিশ। অন্যদিকে, শনিবার রাতে নিমতা থানার পুলিশ দুই সশস্ত্র দুষ্কৃতীকে গ্রেফতারের পাশাপাশি একটি পাইপগান সহ অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
গত ২১ তারিখ রাতে খড়দহ ছাব্বিশ মন্দির এলাকার বাসিন্দা রোহিত রামকে পাশের পাড়া নারকেল বাগান এলাকায় বেধড়ক মারধর করা হয়। অভিযোগ, টিটাগড় পুরসভার এক কাউন্সিলার ঘনিষ্ঠ অজয় মরিয়ার নেতৃত্বে মারধর করা হয়েছিল। পুলিশ ওই ঘটনায় অজয় সহ মোট চার জনকে গ্রেফতার করে হেপাজতে নিয়েছিল। ধৃত অজয়কে জেরা করে নারকেলবাগান এলাকা থেকে একটি সেভেন এমএমের বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। ধৃত অজয়কে নিয়ে গিয়ে পুলিশ ওই বন্দুক ও গুলি উদ্ধার করে। পুলিশ জেনেছে, ঘটনার দিন এলাকায় প্রচুর স্থানীয় লোক জড়ো হয়ে গিয়েছিল। ধরা পড়ার আশঙ্কায় নারকেল বাগানের গোপন ডেরায় ওই অস্ত্র ফেলে চম্পট দিয়েছিল।
অন্যদিকে, শনিবার রাতে নিমতা হেলথ সেন্টার লাগোয়া মিলনগড় আমবাগান এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে নিমতা থানা অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল পাঁচ দুষ্কৃতী চম্পট দিলেও মাঝেরহাটির বনি দাস ওরফে বিল্টু ও নাদিকুল শরৎপল্লির শুভদ্বীপ দাস ওরফে শুভকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বনির কাছ থেকে একটি দেশি পাইপ গান সহ অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতকদের খোঁজে তল্লাশি
চালানো হচ্ছে।