সোমনাথ বসু: মেসিকে নিয়ে ব্যবসা করতে নেমেছিলেন উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। কিন্তু তারজন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত সংগঠন। আর এই কাজে ডাহা ফেল তিনি। মূলত তাঁর অযোগ্যতার জন্যই শনিবার সকালে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার সাক্ষী থাকল যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন।
সোমনাথ বসু: মেসিকে নিয়ে ব্যবসা করতে নেমেছিলেন উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। কিন্তু তারজন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত সংগঠন। আর এই কাজে ডাহা ফেল তিনি। মূলত তাঁর অযোগ্যতার জন্যই শনিবার সকালে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার সাক্ষী থাকল যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন।
মাত্র ১৮ মিনিট মাঠে ছিলেন বাঁ পায়ের জাদুকর। কিন্তু গ্যালারি থেকে তাঁকে দেখা কার্যত যাচ্ছিল না। উদ্যোক্তার সাঙ্গপাঙ্গরাই খর্বকায় মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই ফুটবলপ্রেমীদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে স্বপ্নের মানুষকে দেখতে না পাওয়ার আপশোসই মুহূর্তে বদলে যায় ক্ষোভে। গ্যালারি থেকে বৃষ্টির মতো মাঠে পড়ে বোতল। বাকেট চেয়ার ভাঙতেও দ্বিধাবোধ করেননি মেসিভক্তরা। এরপর পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন শয়ে শয়ে মানুষ। কেউ গোলপোস্টের জালও ছিঁড়ে নেন।
অবশ্য তার আগেই বেরিয়ে গিয়েছেন আর্জেন্তাইন মহাতারকা। ঘাড়ের কাছে উদ্যোক্তাদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসও তাঁর ভালো লাগেনি। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে হোটেলে ফিরে যান এলএমটেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌরভ গাঙ্গুলি এবং শাহরুখ খান মাঠেই আসেননি। এর ফলে ক্রীড়াপ্রেমীদের ক্ষোভ আরও বাড়ে। এই পর্বে সংগঠকদের দূরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যায়নি।