Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জমে রয়েছে জল, পুজোর প্যান্ডেল তৈরি নিয়ে দুশ্চিন্তা

শুরু হয়েছে উমা আরাধনার কাউন্টডাউন। কিন্তু আনন্দের মাঝেই বিপাকে হাবড়া ও অশোকনগরের বেশ কিছু দুর্গাপুজো কমিটি।

জমে রয়েছে জল, পুজোর প্যান্ডেল তৈরি নিয়ে দুশ্চিন্তা
  • ১২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শুরু হয়েছে উমা আরাধনার কাউন্টডাউন। কিন্তু আনন্দের মাঝেই বিপাকে হাবড়া ও অশোকনগরের বেশ কিছু দুর্গাপুজো কমিটি। কারণ, অনেক জায়গায় জমে আছে জল। ফলে, প্যান্ডেল শুরু বা শেষ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন কর্তারা। হাবড়ার একাধিক এলাকায় জল এখন হাঁটুসমান। সেখানে বড়মাপের পুজো না হলেও ছোট পুজোকে ঘিরে মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে। তাই চিন্তা যেন পিছু ছাড়ছে না। বাধ্য হয়ে জলের মধ্যেই প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু করতে হয়েছে পুজো কমিটিগুলিকে।

Advertisement

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। গাইঘাটা, বনগাঁ, হাবড়া, অশোকনগর সহ বসিরহাটের বেশ কিছু এলাকায় জল জমে রয়েছে। জেলার বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলি দুশ্চিন্তায় ভুগছে। হাবড়ার ও অশোকনগরে রয়েছে একাধিক বিগ বাজেটের পুজো। পাশাপাশি ছোট ছোট বেশ কয়েকটি পুজোও দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। প্রায় দু’মাস আগে থেকে শুরু হয়ে যায় প্যান্ডেলের কাজ। এবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। একদিকে যেমন মৃৎশিল্পীরা চূড়ান্ত বিপাকে পড়েছেন, একইসঙ্গে পুজো কমিটিরও মাথায় হাত। হাবড়া শহর ও গ্রামীণ এলাকায় বিগ বাজেটে পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হল হেডপোস্ট অফিসের পাশে অ্যাথলেটিক ক্লাবের পুজো। এ বছর তাদের মাঠে হাঁটু সমান জল রয়েছে। আর জলে ভেসে আসছে বিষধর সাপ। হাতে সময় কম। তাই প্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই। পুরসভার পক্ষ থেকে এলাকায় কীটনাশক স্প্রে করা হলেও ভয় কাজ করছে কর্মীদের। তবে কমে গিয়েছে কাজ করার সময়। বিকেলের পর থেকে আর কোনওভাবেই হচ্ছে না প্যান্ডেল তৈরি। পুজো কমিটির সম্পাদক সুশান্ত পাল বলেন, আমাদের চিন্তার অন্ত নেই। মাঠে হাঁটুর বেশি জল। অন্যান্য বছর এখন জোরকদমে কাজ চলে। কিন্তু এবার হচ্ছে না। কীভাবে কাজ উঠবে বুঝতে পারছি না। কোনওরকমে একটু একটু করে কাজ করতে হচ্ছে। অশোকনগরের বনবনিয়ায় সংঘশ্রী ক্লাবের পুজো প্রতিবছরই মানুষের নজরকাড়ে। কিন্তু এবছর এলাকা জলমগ্ন। হচ্ছে না প্যান্ডেল তৈরি। পরিস্থিতি যা তাতে করে অন্যত্র পুজো করার কথা ভাবছে কমিটি। 
এ বিষয়ে পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা সুজন দাস বলেন, আমরা খুবই চিন্তায় রয়েছি। জল কিছুটা কমলেও আগামী দিনে বৃষ্টি হলে যন্ত্রণার শেষ থাকবে না। কদিন পরে প্যান্ডেল তৈরির কাজ হবে। এভাবে চলতে থাকলে উঁচু জায়গায় সরে গিয়ে প্যান্ডেল তৈরি করব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ