নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: খানাকুলের বন্দরে রূপনারায়ণ নদের জলস্তর বিপদ সীমার নীচে নেমে এসেছে। কিন্তু, জমা জলে দুর্ভোগ অব্যাহত বাসিন্দাদের। ডিভিসি জল ছাড়া বহাল রেখেছে। বুধবারও প্রায় ৬৪ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ে ডিভিসি। তারফলে নদীগুলি এখনও জলে ভরে রয়েছে। জল নামার গতি শ্লথ হওয়ায় দুর্গত এলাকায় যোগাযোগের ভরসা এখনও নৌকা ও ট্রাক্টর। খানাকুল-২ ব্লকের কয়েকটি জায়গায় রান্না করা খাবার বিলি শুরু করেছে প্রশাসন। খানাকুল-২ বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া বলেন, জমা জল এখনও রয়েছে। দুর্গতদের খিচুড়ি খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তা আরও বাড়ানো হতে পারে। আপাতত মারোখানা ও জগৎপুর পঞ্চায়েতের পাঁচটি জায়গায় তা খাওয়ানো হচ্ছে। বুধবার খানাকুলের বন্দরে রূপনারায়ণ নদের জলস্তর ছিল ৬.৮১ মিটার। সেখানে বিপদসীমা ৬.৮৫ মিটারে। তবে এখনও নদী ফুঁসছে। প্রাথমিক বিপদ সীমার উপর দিয়েই বইছে জল। দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীতে জলস্তরও একইভাবে বেড়ে রয়েছে। তবে দ্বারকেশ্বরের জল কমছে।



