সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: একটু ভারী বৃষ্টি হলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে জল থই থই অবস্থা। কোথাও এক হাঁটু, আবার কোথাও তার থেকেও বেশি। ফলে বৃষ্টি হলেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের আসা বন্ধ। পড়াশোনার পাট তুলে চলে শুধু মিড ডে মিলের রান্না। গত আট বছর ধরে এই অবস্থা চলছে শ্যামপুর ২ নম্বর ব্লকের নাকোল গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঁইবেনিয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। অবিলম্বে সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
নাকোল সাঁইবেনিয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটিতে শিশুদের মনোরঞ্জনের জন্য সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় কেন্দ্রটিতে যাওয়ার রাস্তা নিয়ে। অভিযোগ, ওই কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সেভাবে কোনো রাস্তা নেই। ফলে একটু ভারী বৃষ্টি হলেই কেন্দ্রটির সামনের অংশ জলমগ্ন হয়ে পড়ে। শিশুদের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যায়। শুধুমাত্র মিড ডে মিল চলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানানো হলেও কিছু হয়নি। ফলে বর্ষাকালে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের পড়াশোনা একপ্রকার বন্ধ হয়ে যায়।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটিতে যাতায়াতের সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন শিক্ষিকা মঞ্জু রুইদাস। তিনি বলেন, মিড ডে মিলের জন্য আমরা জল পেরিয়ে যাতায়াত করি। কিন্তু দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে শিশুরা কেন্দ্রটিতে আসে না। শুধু অভিভাবকরা মিড ডে মিল নিতে আসেন। শিক্ষিকার অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে এই অবস্থা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। ব্যাপারটি নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে বিডিওর কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি। আর এই প্রসঙ্গে নাকোল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সদানন্দ দাস বলেন, রাস্তাটি তৈরি করতে ১৪/১৫ লক্ষ টাকা লাগবে। পথশ্রী প্রকল্পে পঞ্চায়েত সমিতির রাস্তাটি তৈরি করার কথা। নিজস্ব চিত্র