Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জল স্বপ্ন: কেন্দ্রীয় অর্থ বরাদ্দ বন্ধ হলেও দিশা দেখাচ্ছে রাজ্য বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি

২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ‘জল জীবন’ প্রকল্পের টাকা পায়নি বাংলা সহ বহু রাজ্য। ফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ার কাজ।

জল স্বপ্ন: কেন্দ্রীয় অর্থ বরাদ্দ বন্ধ হলেও দিশা দেখাচ্ছে রাজ্য বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি
  • ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ‘জল জীবন’ প্রকল্পের টাকা পায়নি বাংলা সহ বহু রাজ্য। ফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ার কাজ। এই পরিস্থিতিতেও এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর রাজ্যের ১ কোটি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ সুনিশ্চিত করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে এই খাতে গত বারের তুলনায় প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, কেন্দ্রীয় বঞ্চনাকে পাত্তা না দিয়ে বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

Advertisement

এই প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে রাখা নিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে যেসব বাড়িতে ইতিমধ্যে পাইপ বিছিয়ে সংযোগ সম্পূর্ণ হয়েছে, সেখানে পর্যাপ্ত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ফলে বর্ধিত বাজেটের উপর নির্ভর করে আরও ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ এবং নিরবচ্ছিন্ন পানীয় জল সরবরাহ সম্ভব বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। প্রায় ১২ শতাংশ বৃদ্ধি করে ২০২৫-২৬ এর ১১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকার জায়গায় আগামী আর্থিক বছরের জন্য ১২ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবারের রাজ্য বাজেটে। সূত্রের খবর, শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণেই রাজ্যের এক বছরে খরচ পড়ে ১৫০০ থেকে ১৭০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে থাকে বিদ্যুৎ বাবদ খরচ সহ ২৪ হাজার পাম্প অপারেটরের মাইনে। এই পাম্প অপারেটরদের বেতন দিতেই মাসে খরচ হয় প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। আবার প্রতি ছ’বছর অন্তর মেরামতি বা বদল করতে হয় অন্তত ২০ শতাংশ পাম্প। বর্তমানে কেন্দ্রের কাছে এই প্রকল্প বাবদ বকেয়া প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। এই অবস্থায় রাজ্যের এই পদক্ষেপ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের নতুন করে অক্সিজেন জোগালো বলেই জানিয়েছেন এক পদস্থ কর্তা। সূত্রের খবর, এই অর্থ ব্যবহার করে কীভাবে আরো ভালো করে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা যায়, তা নিয়েও দপ্তরের আধিকারিকরা পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ