Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ছ’মাসেও বর্জ্য প্রকল্প চালু হয়নি, দুর্গন্ধে নাক চাপা দিতে হয় চাঁচল হাসপাতালে

মালদহের চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প চালু রয়েছে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কাজ শেষ হওয়ার পর ছ’মাসেও পরিষেবা চালু হয়নি।

ছ’মাসেও বর্জ্য প্রকল্প চালু হয়নি, দুর্গন্ধে নাক চাপা দিতে হয় চাঁচল হাসপাতালে
  • ৭ জুন, ২০২৫ ১৬:০৬
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চাঁচল: মালদহের চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প চালু রয়েছে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কাজ শেষ হওয়ার পর ছ’মাসেও পরিষেবা চালু হয়নি। ফলে হাসপাতাল চত্বরে জমা হওয়া আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। ওই রাস্তা ধরে যেতে হলে নাকে রুমাল চাপা দিতে হচ্ছে। হাসপাতাল চত্বরে নির্মীয়মাণ ঘরের সামনে উদ্বোধনের ফলক টাঙানো থাকলেও প্রকল্প কেন চালু হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এখন খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে যাওয়া রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা।   মালতীপুরের দীপা দাস বলেন, আবর্জনার পাশ দিয়ে আসার পর কিছু খেতে পারছি না। অসুস্থ হয়ে পড়েছি। 

Advertisement

হাসপাতালের সুপার সুমিত তালুকদারের কথায়, কঠিন বর্জ্য প্রকল্পটি এখনও আমাদের হস্তান্তর করা হয়নি। কীভাবে ব্যবহার করব, সেটাও জানানো হয়নি। যতক্ষণ না পরিষেবা শুরু হচ্ছে, এই সমস্যা চলতে থাকবে। নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার করতে বাড়তি খরচও হচ্ছে। হাসপাতালের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা মাথায় রেখে মালদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। তবে নির্মাণকাজ শেষ হলেও তা চালু না হওয়া নিয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ প্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য সাইরা বানু বলেন, প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কিছু যন্ত্রপাতি বসানোর কথা রয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সেটি চালু করা হবে।  হাসপাতালের বর্জ্য পড়ে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। অতিষ্ট এলাকার মানুষ।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ