Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

অশনি সঙ্কেত! ট্রাম্পের হুমকির পর পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ইরানের

পরমাণু চুক্তিতে রাজি না হলে বোমাবর্ষণ করবে আমেরিকা। এমন হামলা যা অতীতে কেউ দেখেনি। রবিবার এভাবেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অশনি সঙ্কেত! ট্রাম্পের হুমকির পর পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ইরানের
  • ১ এপ্রিল, ২০২৫ ১৮:০৪
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পরমাণু চুক্তিতে রাজি না হলে বোমাবর্ষণ করবে আমেরিকা। এমন হামলা যা অতীতে কেউ দেখেনি। রবিবার এভাবেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা প্রস্তুতি শুরু করেছে তেহরানও। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে সশস্ত্র বাহিনী। এখন শুধু উৎক্ষেপণের অপেক্ষা। ইতিমধ্যে ভূগর্ভস্থ অস্ত্র ভাণ্ডারের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে ইরান। তেহরান টাইমসের রিপোর্ট জানাচ্ছে, ‘দেশের একাধিক এলাকায় মাটির নীচে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি রয়েছে। এই অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলি আকাশ পথে হামলা প্রতিরোধে সক্ষম।’ আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এর মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে কার্যত যুদ্ধের হুমকি দিয়ে রাখল ইরান। 

Advertisement

২০১৫ সালে প্রথম ট্রাম্প সরকারের আমলে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছিল আমেরিকা। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর নতুন করে এই চুক্তি করতে চেয়ে চাপ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই মর্মে ইরানের সর্বোচ্চ ধার্মিক নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে চিঠিও পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। বেঁধে দেওয়া হয়েছে দু’মাসের সময়সীমা। এরইমধ্যে রবিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের উপর হামলার হুমকি দেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে জানান, প্রয়োজনে শুল্কও চাপানো হতে পারে। মার্কিন হুঁশিয়ারিতে অবশ্য মাথা নত করতে নারাজ তেহরান। সোমবার নিজের বক্তব্যে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন খামেনেই। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা আর ইজরায়েল সবসময় আমাদের সঙ্গে শত্রুতা জিইয়ে রেখেছে। ওরা বারবার হামলার হুমকি দিচ্ছে। যদিও বাস্তবে তেমন কোনও আশঙ্কা নেই বলে মনে হচ্ছে। তবে গণ্ডগোল সৃষ্টি করলে কড়া জবাব দেওয়া হবে।’
ট্রাম্পের চিঠির উত্তরে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। তবে ওমানের মধ্যস্থতায় পরোক্ষে আলোচনা চালানোর পথ খুলে রাখা হয়েছে। এবিষয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বার্তা, ‘পরোক্ষে সমঝোতা চালানো যেতেই পারে। আমরা আলোচনা এড়াতে চাই না। এখন পর্যন্ত প্রতিশ্রুতিভঙ্গই আমাদের সমস্যার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকাকে প্রথমে বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। তাহলেই এই চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ