নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ৮ জুলাইয়ের মধ্যেই ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়ে যাবে। এরকমই অঘোষিত সময়সীমা দুপক্ষের মধ্যে ধার্য হয়েছে। কারণ ৯০ দিনের জন্য ট্রাম্প আমদানি শুল্ককে স্থগিত রেখেছেন। সেই সময়সীমা ওই সমগেই সমাপ্ত হবে। সুতরাং দুই দেশের বাণিজ্যি সংক্রান্ত চুক্তি তার আগেই স্বাক্ষরিত হতেই হবে। সব যখন চূড়ান্ত। যে কোনও মুহূর্তেই অন্তিম শর্তাবলি নিয়ে দু’পক্ষ সম্মত হবে, তখন ট্রাম্প ফের হুঁশিয়ারি দিলেন। যাকে ফতোয়া বলা হলেও অত্যুক্তি হয় না। ট্রাম্প বলেছেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য চুক্তি হতে চলেছে। প্রায় শেষ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। আর সুখবর হল, পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও আসছে ওয়াশিংটনে। একইরকম দ্বিপাক্ষিক একটি বাণিজ্য চুক্তি করতে। তাদের সঙ্গেও আমরা চুক্তি করব। কিন্তু এই দুই দেশ যদি পরস্পরের সঙ্গে আবার যুদ্ধ করার চেষ্টা করে কিংবা আভাস দেয়, তাহলে বাণিজ্য চুক্তি করব না। স্পষ্ট জানাচ্ছি আবার। আমিই দুই দেশকে যুদ্ধ থেকে টেনে এনে বাণিজ্যের পথে আসতে রাজি করিয়েছি। তাই আবার যুদ্ধ নিয়ে জলঘোলা করা হলে আমাদের থেকে বাণিজ্য প্রস্তাব পাবে না। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পালটা কেন্দ্রীয় সরকার কোনও জবাব দেয়নি। তবে জানা যাচ্ছে কেন্দ্র ওই ঘোষণায় বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ। এভাবে একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যখন আলোচনা চলছে এবং তা প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে, তখন হঠাৎ করেই এভাবে ভারত ও পাকিস্তানকে সমান চোখে দেখার একটি বার্তা দিলেন ট্রাম্প। দুই দেশকেই তাঁর অনুগত হিসেবে দেখার মনোভাব নিয়ে ভারত ক্ষুব্ধ। এই নিয়ে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ১২ বার ট্রাম্প বললেন যে, তিনি বাণিজ্য বিনিময়ে যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছেন। আর তাঁর কথায় রাজি হয়ে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিবতি ঘটিয়েছে। শনিবার ফের কংগ্রেস দাবি করেছে যে, মোদি সরকার ট্রাম্পের এই বারংবারের দাবি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিচ্ছে না কেন? দলের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, ডোনাল্ডভাই ২০ দিনে ৯’বার একই কথা বললনে। কিন্তু ডোনাল্ডভাইয়ের বন্ধু নরেন্দ্র মোদি ওই দাবির বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে চুপ রয়েছেন। কেন প্রধানমন্ত্রী কিছু বলছেন না? ছবি: পিটিআই



