Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করেই ওয়াকার, কৃত্রিম পা নিয়েই পুণ্যস্নান গঙ্গাসাগরে

সোনারপুরের নন্দিতা রায়চৌধুরী কিংবা মধ্যপ্রদেশের কিশোরলাল ত্রিবেদি বা উত্তরপ্রদেশের জ্ঞানেশ প্রসাদ— তাঁরা তিন প্রদেশের মানুষ হলেও মিল অনেক। সকলেই এসেছেন গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করতে। সকলেই শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। মনের জোর ও ইচ্ছাশক্তির উপর ভর করেই মেলায় এসেছেন তাঁরা।

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করেই ওয়াকার, কৃত্রিম পা নিয়েই পুণ্যস্নান গঙ্গাসাগরে
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সোনারপুরের নন্দিতা রায়চৌধুরী কিংবা মধ্যপ্রদেশের কিশোরলাল ত্রিবেদি বা উত্তরপ্রদেশের জ্ঞানেশ প্রসাদ— তাঁরা তিন প্রদেশের মানুষ হলেও মিল অনেক। সকলেই এসেছেন গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করতে। সকলেই শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। মনের জোর ও ইচ্ছাশক্তির উপর ভর করেই মেলায় এসেছেন তাঁরা। 

Advertisement

সোনারপুরের নন্দিতাদেবী কোনো এক সময়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই তাঁর একদিক অসাড় হয়ে যায়। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও হাঁটতে চলতে সমস্যা। ওয়াকার নিয়ে ধীরে ধীরে চলাফেরা করেন। ছেলে অঙ্কুরকে নিয়ে তিনি সাগরমেলায় এসেছেন। পুণ্যলাভের আশায় ডুব দিতে পারেননি তিনি। তবে ছেলে সাগর থেকে বালতি করে জল এনে মায়ের মাথা ধুইয়ে দিয়েছেন। 
অঙ্কুর বলেন, ‘মকর সংক্রান্তিতে এখানে আসবে বলে ঠিক করেছিল মা। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আসার ব্যাপারে নাছোড়। উত্তরপ্রদেশের জ্ঞানেশ প্রসাদের বাঁ পা নেই। কৃত্রিম পায়ে ভর করে পরিবারের সঙ্গে এসেছেন তিনি। বললেন, ‘স্নান করলেন। কৃত্রিম পা খুলে ছেলের কাঁধে ভর দিয়ে পুণ্যের জন্য সমুদ্রে নেমেছিলাম। দুর্ঘটনায় একটা পা বাদ গিয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিবন্ধকতা আমার মেলায় আসা আটকাতে পারেনি। 
মধ্যপ্রদেশের কিশোরলাল ত্রিবেদিরও হাঁটতে সমস্যা। তিনিও ওয়াকার নিয়ে এসেছেন। তা নিয়েই সারলেন পুণ্যস্নান। তাঁর কথায়, ‘কষ্ট হলেও ভক্তির টানে গঙ্গাসাগরে চলে এসেছি।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ