Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেতন বন্ধ , ফুটবল টুর্নামেন্টে গিয়ে হাওড়ায় বিক্ষোভের মুখে শমীক

বন্ধ হয়ে গিয়েছে বেতন। অবসরকালীন সুবিধা পাচ্ছেন না প্রবীণ শ্রমিকরা।

বেতন বন্ধ , ফুটবল টুর্নামেন্টে গিয়ে হাওড়ায় বিক্ষোভের মুখে শমীক
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বন্ধ হয়ে গিয়েছে বেতন। অবসরকালীন সুবিধা পাচ্ছেন না প্রবীণ শ্রমিকরা। বকেয়া মেটানোর দাবিতে পথেও নেমেছেন হাওড়ার দাশনগরের আরতি কটন মিলের কয়েকশো শ্রমিক। কিন্তু সমাধান নহয়নি। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালে মিলের মাঠে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল বিজেপি। সেখানে ঢুকতে গিয়ে মিলের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্য সভাপতির গাড়ি লক্ষ্য বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে বেগ পেতে হয় দাশনগর থানার পুলিশকে। নামানো হয় র‍্যাফ।

Advertisement

রাজ্যের যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের তরফে এদিন বেলুড়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দাশনগরের আরতি কটন মিলের মাঠে নরেন্দ্র কাপের আয়োজন করে বিজেপি। সকাল থেকেই মিলের সামনে দাঁড়িয়ে বকেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন শতাধিক শ্রমিক। তাঁদের নেতৃত্ব দেন এক তৃণমূল বিধায়ক। জানা গিয়েছে, জড়ো হওয়া মিল শ্রমিকদের ভিড় কাটিয়ে বিজেপির কয়েকজন কার্যকর্তা সহ রাজ্য সভাপতির গাড়ি মাঠের দিকে ঢোকার চেষ্টা করে। তখনই গাড়ি আটকে ঘিরে ধরেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। তাঁরা বলেন, ‘কয়েক দিন পরেই দুর্গাপুজো। সাতমাস হয়ে গেল বেতন বন্ধ। অনাহারে মরতে হবে।’ বিক্ষোভকারীদের সরাতে ছুটে আসে দাশনগর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ও র‍্যাফ। পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি লেগে যায় শ্রমিকদের। পরে তাঁদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া হলে বিজেপির রাজ্য সভাপতির গাড়ি মাঠের ভিতর ঢোকে।
মিলের সমস্যা নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘মিল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ দেখানো স্বাভাবিক। তাঁরা আমাকে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি মনে করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। রাজ্যের সমস্ত বন্ধ কারখানার তালা যাতে খুলতে পারে, সেজন্য আমরা উদ্যোগ নেব।’ ন্যাশনাল টেক্সটাইল কর্পোরেশনের অধীনে থাকা আরতি কটন মিল সহ মোট ২৩টি মিলে দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে রয়েছে। এরমধ্যে আরতি কটন মিলের গেটে এখনও তালা পড়েনি। নিত্যদিন হাজিরা দিতে হয় সেখানকার শতাধিক শ্রমিককে। কিন্তু উৎপাদন বন্ধ থাকায় সাতমাস ধরে এক টাকাও বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। অবসরপ্রাপ্তরাও 
বঞ্চিত হচ্ছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ