Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শুনানি কেন্দ্রে ভোটারকে সিএএ-তে আবেদনের পরামর্শ, উত্তেজনা বাগদায়

এসআইআর শুনানিতে নথিপত্র না দেখে ভোটারকে সিএএতে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়ায় উত্তেজনা ছড়াল বাগদার হেলেঞ্চা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে।

শুনানি কেন্দ্রে ভোটারকে সিএএ-তে আবেদনের পরামর্শ, উত্তেজনা বাগদায়
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: এসআইআর শুনানিতে নথিপত্র না দেখে ভোটারকে সিএএতে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়ায় উত্তেজনা ছড়াল বাগদার হেলেঞ্চা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। আধিকারিককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মানুষ ও তৃণমূল নেতৃত্ব। বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে শুনানি। অভিযুক্ত আধিকারিককে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে কাজ শুরু হয়।

Advertisement

মঙ্গলবার হেলেঞ্চা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শুনানিতে আসেন বাগদা ব্লকের আষাঢ়ু গ্রাম পঞ্চায়েতের হামকুড়ার বাসিন্দা দুই ভাই দীপক ঢালী ও কমলেশ ঢালী। অভিযোগ, শুনানির দায়িত্বে থাকা ‘এইআরও’ তাপস বিশ্বাস নথিপত্র না দেখে তাঁদের সিএএতে আবেদন করতে বলেন। ঘটনার প্রতিবাদ করেন দীপক। এই কথা জানাজানি হতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এসআইআর শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষ। তৃণমূল ঘটনার প্রতিবাদ করেন। কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় শুনানি। পরবর্তীতে এই ঘটনা মৌখিকভাবে জানানো হলে এইআরও তাপস বিশ্বাসকে ডেকে পাঠান বিডিও। যদিও এবিষয়ে তাপস বিশ্বাসের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বাগদা পূর্ব ব্লক তৃণমূল সভাপতি কিঙ্কর মণ্ডল বলেন, আমরা জানতে পারি দুই ভাই শুনানিতে এলে তাঁদের সিএএতে আবেদন করতে বলেন তাপস বিশ্বাস। তিনি নির্বাচন কমিশনের একজন আধিকারিক হয়ে বিজেপির দালালি করছেন। বিজেপি নেতা অমৃতলাল বিশ্বাস বলেন, তাপস বিশ্বাস কোনও ভুল কাজ করেননি। সিএএ ভারতবর্ষের আইন সেক্ষেত্রে তিনি যদি বলে থাকেন ভুল কোথায়। এবিষয়ে বাগদার বিডিও অখিল মণ্ডল বলেন, ফোনে আমার কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। লিখিত অভিযোগ হয়নি। আমি এইআরও তাপস বিশ্বাসকে ডেকে পাঠিয়েছি।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার শুনানিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাগদা ব্লকের কনিয়ারা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের টাকশালীর বাসিন্দা অমৃত বিশ্বাস। সকাল ১০টায় হেলেঞ্চা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শুনানিতে আসেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাঁকে বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শুনানিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন পাথুরিয়ার বাসিন্দা মমতা বিশ্বাস।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ