ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যে ১৩.২৪ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে ভোটার
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: এসআইআর ভোটচুরির হাতিয়ার। শুরু থেকেই এমনই দাবি কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলির। ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে সরব বিরোধীরা।  সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতবিরোধের খবর, ভুরি ভুরি ফর্ম ৭ জমা করে নাম বাদ দেওয়া সহ একাধিক বিষয় বিতর্কে নয়া মাত্রা যোগ করেছে । এরইমাঝে সামনে এল এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সম্প্রতি কমিশন ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এসআইআরের জেরে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গোয়া, পাঞ্জাব ও মণিপুরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে ভোটার। হ্রাসের পরিমাণ প্রায় ১৩.২৪ শতাংশ। ওই রাজ্যগুলিতে আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৭১ লক্ষ। এসআইআরের পর কমে হয়েছে ১৬ কোটি ৪৩ লক্ষ। উল্লেখ্য, আগামী বছর গোড়াতেই ওই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন।

Advertisement

এক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। এসআইআর প্রক্রিয়ার আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৪৪ লক্ষ। খসড়া তালিকায় তা কমে হয়েছিল ১২ কোটি ৫৬ লক্ষ। চূড়ান্ত তালিকায় সংখ্যাটা পৌঁছায় ১৩ কোটি ৪০ লক্ষে। প্রায় ২ কোটি ৪ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যা প্রায় ১৩.২৪ শতাংশ। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে এটি সর্বাধিক। পাঞ্জাবে ২ কোটি ১৫ লক্ষ ভোটারের সংখ্যা এসআইআরের পর কমে হয়েছে ২ কোটি ১ লক্ষ। এক্ষেত্রে ৬.৩৪ শতাংশ ভোটার কমেছে।
উত্তরাখণ্ডে আগে ভোটার ছিল ৮০ লক্ষ। এসআইআরের পর তা কমে হয়েছে ৭২ লক্ষ। ভোটার হ্রাসের হার ১০.০৭ শতাংশ। একইভাবে মণিপুরে ভোটার সংখ্যা ২০ লক্ষ ৯০ হাজার থেকে কমে ১৯ লক্ষ ৬০ হাজার হয়েছে। কমেছে প্রায় ৬.৩৩ শতাংশ।
এসআইআরের জেরে গোয়ায় ১১ লক্ষ ৮৫ হাজার থেকে কমে ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লক্ষ ৫৮ হাজার। হ্রাসের হার প্রায় ১০.৭৬ শতাংশ। গোয়া বাদে প্রতিটি রাজ্যেই খসড়া তালিকায় ব্যাপক হারে নাম বাদ গিয়েছে। আর চূড়ান্ত তালিকায় সেই হারে নাম যুক্ত হয়নি। তার জেরেই এই পরিস্থিতি। কমিশনের আশ্বাস, বাদ পড়া ভোটাররা নাম তোলার সুযোগ পাবেন। বিরোধীদের কথায়, আশ্বাসই সার। আদতে কোটি কোটি মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার হারাচ্ছেন। আর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কাজে লাগিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করছে বিজেপি।