Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটার তালিকা: সময়সীমা বাড়তেই পাঁচদিনে জমা পড়ল ২ লক্ষাধিক নাম তোলার আবেদন

এছাড়া তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে শেষদিন পর্যন্ত জমা পড়েছে মোট ৪১ হাজার ৯৬১টি ৭ নম্বর ফর্ম।

ভোটার তালিকা: সময়সীমা বাড়তেই পাঁচদিনে  জমা পড়ল ২ লক্ষাধিক নাম তোলার আবেদন
  • ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটার তালিকায় নাম সংযোজন ও বিয়োজনের সময়সীমা বাড়িয়েছিল কমিশন। আর তাতেই মাত্র পাঁচদিনে জমা পড়ল দু’লক্ষেরও বেশি নাম তোলার আবেদন। সব মিলিয়ে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ১৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর শেষদিন পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে জমা পড়েছে মোট ৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৫১টি ৬ নম্বর ফর্ম। এছাড়া তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে শেষদিন পর্যন্ত জমা পড়েছে মোট ৪১ হাজার ৯৬১টি ৭ নম্বর ফর্ম।

Advertisement

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জমা পড়া সমস্ত ৬ নম্বর ফর্ম খতিয়ে দেখে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি করা হবে। সেই সঙ্গে ৭ নম্বর ফর্ম ও তাঁর সঙ্গে জমা পড়া সমস্ত নথি খতিয়ে দেখার পর আবেদনকারীকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হবে। তারপর তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর আগে তালিকায় নাম তুলতে জমা পড়েছিল মোট ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৭৫টি ফর্ম। অর্থাৎ চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে মোট ৯ লক্ষ ১৭ হাজার ২৬টি ফর্ম জমা পড়ল। পাশাপাশি খসড়া এসআইআর পর্ব শুরুর আগে এবং খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সব মিলিয়ে জমা পড়া ৭ নম্বর ফর্মের সংখ্যা ৯৮ হাজার ৮২৮।

এদিকে, সন্দেহজনক বা তথ্যের অসংগতি থাকা ভোটারদের শুনানিতে শুধুমাত্র ২০০২ সালের রোলের নথি আনলেই হবে। সেটাই আপলোড করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এমনই নির্দেশ এসেছে জেলায় জেলায়। ফলে ভোটারদের আর অন্যকোনো নথি দেখানোর প্রয়োজন নেই। যদিও কমিশন যেভাবে পদে পদে সিদ্ধান্ত বদল করেছে এবং নতুন নিয়ম এনেছে তাতে স্বস্তি বোধ করছেন না জেলার নির্বাচনী আধিকারিকরা।

এক ইআরও জানান, রোলের কপি আপাতত আপলোড করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আমরা ভোটারদের অন্যান্য নথিও নিয়ে রাখছি। কমিশন যদি পরে কখনো ভোটারদের অন্য নথি চায়, তখন আর ভোটারদের শুনানি কেন্দ্রে আসতে হবে না। তাঁদের দেওয়া নথিগুলিই আপলোড করে দেওয়া হবে।

ফলে এবার থেকে শুনানির পর যদি এইআরও’দের মনে হয়, সংশ্লিষ্ট ভোটারের নথি সব ঠিক আছে, তাহলে তিনি আর জেলাশাসকের লগইন আইডিতে আর সেসব পাঠাবেন না। সরাসরি ‘ওকে’ বলে আপলোড করে দেবেন। ইআরও নেটে এই অপশন দেওয়া হয়েছে। ফলে সবকিছু যাচাই করার দায়িত্ব আর জেলাশাসকদের উপর বর্তাবে না। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, কোথাও কোনো ভুল হলে তখন এইআরও’দের দায়ী করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ