Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গাইঘাটার যুবকের নাম ও এপিক নম্বরে ভোটার কার্ড মিলল রাজারহাটে

গাইঘাটার বাসিন্দা এক যুবকের ছবি এবং ঠিকানা পরিবর্তন করে একই এপিক নম্বরে তৈরি হওয়া ভোটার কার্ড পাওয়া গেল রাজারহাটের ঠিকানায়

গাইঘাটার যুবকের নাম ও এপিক নম্বরে ভোটার কার্ড মিলল রাজারহাটে
  • ১২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: গাইঘাটার বাসিন্দা এক যুবকের ছবি এবং ঠিকানা পরিবর্তন করে একই এপিক নম্বরে তৈরি হওয়া ভোটার কার্ড পাওয়া গেল রাজারহাটের ঠিকানায়। ২০১৯ সাল থেকে ভোটার তালিকায় নাম খুঁজে পাচ্ছেন না গাইঘাটার ওই যুবক। তারপরই খোঁজ নিতে গিয়ে এই তথ্য সামনে আসে তাঁরা। বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। গাইঘাটা বিডিওর কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া ওই যুবক। প্রশাসনের দাবি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। গাইঘাটা ব্লকের সুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তেঘরিয়ার বাসিন্দা পরিমল দাস ২০০৩ সালে ভোটার হন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। খোঁজ নিয়ে পরিমল দেখেন, তাঁর এপিক নম্বরে রাজারহাট নিউটাউনের বাসিন্দা একজন ভোটার রয়েছেন। শুধুমাত্র ছবি এবং ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। এরপর ভোটার তালিকায় নাম তুলতে গাইঘাটার বিডিওর কাছে অভিযোগ দায়ের করেন পরিমল। তিনি বলেন, ‘২০১৯ সালে ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারি, আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। পরে রাজারহাটে ভোটার তালিকায় আমার এপিক নম্বরের হদিশ পায়। জানতে পারি আমার নাম, বাবার নাম ও নম্বর ব্যবহার করে কোনও এক ব্যক্তি তাঁর ছবি দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে। আমি বিডিওকে বিষয়টি জানিয়েছি।’ গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, ‘তৃণমূলের আমলে সব কিছুই সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গে এক কোটি ভুয়ো ভোটার রয়েছে।’ বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সহ-সভাপতি নরোত্তম বিশ্বাস বলেন, ‘ভোটার তালিকা তৈরি করা রাজ্যের হাতে নেই। বিরোধীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ আনছে।’ গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, ‘একটা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ