Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

সিআইএসএফের বিরুদ্ধে বিষ্ণুর হ্যাটট্রিক, আট গোলের মালা পরাল ইস্ট বেঙ্গল

শনিবার ইস্ট বেঙ্গলের প্রতিষ্ঠা দিবস। আলোয় ভাসছে ময়দানের লাল-হলুদ তাঁবু। উৎসবের আগেই কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে সমর্থকদের বড়ো জয় উপহার দিলেন বিষ্ণু, জিকসনরা।

সিআইএসএফের বিরুদ্ধে বিষ্ণুর হ্যাটট্রিক, আট গোলের মালা পরাল ইস্ট বেঙ্গল
  • ১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইস্ট বেঙ্গল-৮                                  :                                সিআইএসএফ-০

Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শনিবার ইস্ট বেঙ্গলের প্রতিষ্ঠা দিবস। আলোয় ভাসছে ময়দানের লাল-হলুদ তাঁবু। উৎসবের আগেই কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে সমর্থকদের বড়ো জয় উপহার দিলেন বিষ্ণু, জিকসনরা। ৮ গোলের বন্যায় ভেসে গেল  সিআইএসএফ। দুরন্ত হ্যাটট্রিক বিষ্ণুর। জোড়া লক্ষ্যভেদ জেসিনের। এছাড়াও স্কোরশিটে নাম তোলেন জিকসন, বিপিন। একটি গোল আত্মঘাতী। প্রথম ম্যাচে ডার্বিতে পরাস্ত হয়েছিলেন আনোয়াররা। পরের রাউন্ডে যেতে ৩ পয়েন্টের সঙ্গেই গোল পার্থক্য বাড়িয়ে রাখা জরুরি। শুক্রবার সেই লক্ষ্যে অনেকটাই সফল ইস্ট বেঙ্গল। 
সিআইএসএফ কেমন প্রতিপক্ষ? টেনেটুনে একশোয় দশ পাবে। ময়দানের তৃতীয়-চতুর্থ ডিভিসনের দলও এদের থেকে ভালো। সেনাবাহিনীর দলে মেডিক্যাল টিমও নেই। ফুটবলার চোট পেলে ছুটতে হল ইস্ট বেঙ্গলের সাপোর্ট স্টাফদের। ডাগ-আউটে সবেধন নীলমণি কোচ। এমন দৈন্যদশা ফুটবলের পক্ষে মোটেও ভালো বিজ্ঞাপন নয়। এদিন প্রথম একাদশে একাধিক পরিবর্তন করেছিলেন লাল-হলুদ কোচ হাবাস। বিষ্ণু, জেসিনরা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মুডে। তিন মিনিটেই এডমুন্ডের দুরন্ত সাইড ভলি পোস্টে প্রতিহত হয়। বাকিটা সিআইএসএফের অর্ধে ওয়ান-ওয়ে ট্র্যাফিক। পাঞ্জাব এফসি থেকে লাল-হলুদে আসা রামিরেজের বাঁ পা বেশ ভালো। তাঁর পাসেই রক্ষণ ভাঙল সেনার। রামিরেজের থ্রু ধরে গতিতে বক্সে ঢুকে এডমুন্ডকে পাস বাড়ান জেসিন। তিনি বিষ্ণুর দিকে এগিয়ে দিলে দুরন্ত ব্যাক ফ্লিকে জাল কাঁপান দক্ষিণী উইঙ্গার (১-০)। দু’মিনিট পরেই বিষ্ণুর শট বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জালে জড়ান সিআইএসএফ ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষক (২-০)। সংযোজিত সময়ে রামিরেজের পাস থেকে লক্ষ্যভেদ জিকসনের (৩-০)। ম্যাচ ওখানেই শেষ। 
বিরতির পর আরও ৫ গোল। ৪৬ মিনিটে চোখ ধাঁধাঁনো বাইসাইকেল কিকে জাল কাঁপান বিষ্ণু (৪-০)। ৬০ মিনিটে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেই স্কোরশিটে নাম তুললেন বিপিন সিং (৫-০)। এরপর ছিল জেসিনের পালা। ৭০ ও ৭৩ মিনিটে পরপর দু’বার লক্ষ্যভেদ করেন তিনি ( ৬-০), (৭-০)। বিষ্ণু হ্যাটট্রিক সারলেন ৭৬ মিনিটে (৮-০)। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ডেভিডকে নামিয়েছিলেন হাবাস। অবিশ্বাস্য মিস মিজো স্ট্রাইকারের। এরপরেও ডেভিড তাগিদ না দেখালে বিসর্জন হতে সময় লাগবে না।
ইস্ট বেঙ্গল: লাচেনপা, হার্দিক (নাচো), আনোয়ার, লালচুংনুঙ্গা, সন্দীপ, জিকসন, এডমুন্ড (দানু), রামিরেজ (বিপিন), রশিদ (রোহিত), বিষ্ণু (ডেভিড) ও জেসিন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ