


গুয়াহাটি: রাজস্থান রয়্যালস বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। নামের মাহাত্ম্যে একেবারে রাজায়-রাজায় যুদ্ধ বলা যায়। একদিকে যশস্বী জয়সওয়াল, তরুণ তুর্কি বৈভব সূর্যবংশী। অন্যদিকে, বিরাট কোহলি, টিম ডেভিড। শুক্রবার বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে রাজস্থান বনাম বেঙ্গালুরু ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে।
ছাব্বিশের আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে রাজস্থান। তিন ম্যাচের সবক’টিতে জিতে ঝুলিতে ছ’পয়েন্ট। টেবিলের শীর্ষে রিয়ান পরাগ ব্রিগেড। নেট রান রেট +২.৪০৩। অন্যদিকে, জোড়া জয়ে মনোবল তুঙ্গে রজত পাতিদারদেরও। চার পয়েন্ট নিয়ে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা আপাতত তৃতীয় স্থানে। নেট রান রেট +২.৫০১। অর্থাৎ এই ম্যাচে রাজস্থানকে হারাতে পারলেই কোহলিরা ছিনিয়ে নেবেন শীর্ষস্থান। তবে কাজটা সহজ নয়। কারণ, রাজস্থানের দুই বাঁ হাতি ওপেনার শুরুতেই ঝড়ের গতিতে রান তোলেন। যশস্বী জয়সওয়াল ও বৈভব সূর্যবংশী রীতিমতো ত্রাস হয়ে উঠেছেন বিপক্ষ দলের বোলারদের। তাই দ্রুত এই জুটি ভাঙতে না পারলে বেঙ্গালুরুর কপালে দুঃখ আছে। রাজস্থানের পরের দিকের ব্যাটাররা এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। তাও ধ্রুব জুরেল, রিয়ান পরাগ কমবেশি রান পেলেও শিমরন হেটমায়ার ফর্মের ধারেকাছেই নেই। তাই বৈভব-যশস্বী জুটি ব্যর্থ হলে সেই চাপ তারা কীভাবে সামাল দেয় সেটাই দেখার। তবে রাজস্থানের বোলিং বেশ শক্তপোক্ত। জোফ্রা আর্চার, নানদ্রে বার্গার, সন্দীপ শর্মা দারুণ ছন্দে। স্পিনার রবি বিষ্ণোইও দারুণ আঁটসাঁট বোলিং করছেন।
অন্যদিকে, খেতাব ধরে রাখতে মরিয়া আরসিবি। দুই ওপেনার কোহলি ও সল্ট রানের মধ্যে রয়েছেন। পাদিক্কাল ও ক্যাপ্টেন পাতিদারও কম যান না। গত ম্যাচে টিম ডেভিডের বিধ্বংসী ব্যাটিং দেখার পর প্রতিপক্ষ দলের পা কাঁপাটাই স্বাভাবিক। তবে বেঙ্গালুরুর বোলিং ঝাঁঝালো নয়। পেস আক্রমণে ডাফি, ভুবনেশ্বর রয়েছেন। স্পিনে ভরসা সুয়াশ শর্মা ও ক্রুনাল পান্ডিয়া।