অশান্ত মণিপুরের ৩ জেলায় হিংসা, মৃত ১১
  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, ইম্ফল: ফের অশান্ত মণিপুর। হিংসাদীর্ণ রাজ্যের একাধিক জায়গায় সংঘাতের ঘটনায় এক মহিলা সহ অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বেশ কয়েকজন। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে থানা, সাধারণ মানুষের বাড়িঘর। কামজং, কাংপোকপি ও উখরুল—এই তিন জেলায় হামলা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। এদিকে, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং শনিবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাজ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেষ্টায় যে কোনো ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় কামজং জেলায় ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের তথা আইআরবি জওয়ানদের উপর অতর্কিত হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে কুকিবহুল চাসাদ এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়। একদল মহিলা বিক্ষোভকারী নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে আটক কয়েকজন যুবকের মুক্তির দাবিতে চাসাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আইআরবি জওয়ানদের অস্থায়ী শিবিরে ঢোকার চেষ্টা করেন। সেই সময় দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন ৪২ বছরের ডমখোনেই তৌথাং। শুক্রবার রাতেই পাঁচ সন্তানের ওই জননীর মৃত্যু হয়। শনিবারও দফায় দফায় দু’পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলে। এই ঘটনায় কুকি ন্যাশনাল আর্মি (বার্মা) বা কেএনএ (বি)-এর সন্দেহভাজন তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। 
অন্যদিকে, চাসাদ এবং কমজং বাজার এলাকায় কুকি ও তাংখুল সম্প্রদায়ের একাধিক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কামজং জেলা সদর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে নিংচাউ গ্রামে শনিবার হামলার অভিযোগ উঠেছে কেএনএ (বি)-এর সন্দেহভাজন সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় দুই স্থানীয় বাসিন্দা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে অভিযোগ।  
কাংপোকপি জেলার  কুই আসাং লিয়াংমাই নাগা গ্রামে পৃথক এক হামলার ঘটনায় চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। আহত আরও কয়েকজন।  এদিকে, উখরুল জেলায় মহাদেব-তোল্লোই সড়কে পৃথক একটি হামলায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।  জ্বলছে পুলিশ স্টেশন। শনিবার তোলা