Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১৭৫ বছরের ঐতিহ্য মেনে বিন্ধ্যবাসিনী পুজো, আমতার রসপুরে সাজ সাজ রব

দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গার আর এক রূপ। আর এই বিন্ধ্যবাসিনী দেবীর পুজোকে ঘিরেই এখন সাজসাজ রব আমতার রসপুর গ্রামে।

১৭৫ বছরের ঐতিহ্য মেনে বিন্ধ্যবাসিনী পুজো, আমতার রসপুরে সাজ সাজ রব
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০২
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গার আর এক রূপ। আর এই বিন্ধ্যবাসিনী দেবীর পুজোকে ঘিরেই এখন সাজসাজ রব আমতার রসপুর গ্রামে। গ্রামবাসীদের পরিচালনায় এবং রসপুর ইউনিয়ন ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় বিন্ধ্যবাসিনী মাতার পুজো এই বৎসর ১৭৫ তম বর্ষে পদার্পণ করল। এই প্রাচীন পুজোকে ঘিরে রসপুর গ্রামে এখন উৎসবের আমেজ। কাল, শনিবার পঞ্চমী থেকে উৎসবের সূচনা হবে। চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

Advertisement

ওই গ্রামেরই এক বাসিন্দা অসীমকুমার মিত্র জানান, অতীতে রসপুর গ্রামের রায়পুর গ্রামের রায়পাড়াবাসী বেনীমাধব বসু নামে এক জমিদার বিন্ধ্যাচল পর্বতে বেড়াতে গিয়ে বিন্ধ্যবাসিনী দেবীর পুজোর বিষয় জানতে পারেন। এরপর তিনি গ্রামে ফিরে এসে পুজোর সূচনা করেন। তারপর থেকেই গ্রামে এই পুজো হয়ে আসছে। তিনি জানান, দু’টি সিংহের উপর অধিষ্ঠাত্রী অষ্টভূজা দেবীর পাশে থাকেন জয়া-বিজয়া। উপরে ছ’টি পরী থাকেন। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শুক্লা সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত দেবীর পুজো হয়। পুজোকে কেন্দ্র করে মেলাও বসে।
পুজো কমিটির সদস্য উৎপল দাস (বুবাই) বলেন, শনিবার পঞ্চমীর দিন প্রতিমার আবরণ উন্মোচন হবে। এরপর সোমবার সপ্তমীর দিন থেকে নিয়ম-নিষ্ঠা সহকারে পুজো করা হবে। পুজোয় ভোগের পাশাপাশি বলিদান প্রথা চালু আছে। বৃহস্পতিবার দশমীর দিন সন্ধ্যায় দামোদর নদীতে দেবীর ঘট বির্সজনের পর নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয়। পরবর্তী একটি সময়ে দেবীর মূর্তি বির্সজন দেওয়া হয়। পুজো উপলক্ষ্যে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ, যাত্রাপালা, যোগব্যায়াম প্রদর্শনী, ক্যুইজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পুজোর কয়েকদিন রসপুর গ্রামে ভিড় জমান বহু ভক্ত ও দর্শনার্থী, ফলে গ্রামজুড়ে সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ