Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁধের কাছ থেকেই মাটি কেটে বাঁধে ফেলা হচ্ছে, প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের

বাঁধের কাছ থেকেই মাটি কেটে বাঁধে ফেলা হচ্ছে, প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের
  • ২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নলহাটিতে ব্রাহ্মণী নদীর বাঁধ সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ উঠল সেচদপ্তরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, জেসিবি মেশিন দিয়ে বাঁধের দশ ফুট দূর থেকে মাটি কেটে বাঁধের উপরে ফেলা হচ্ছে। এভাবে বাঁধের সামনে থেকে মাটি কাটার ফলে নদীবাঁধের ক্ষতি ও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদের পাশাপাশি সেই ছবি তুলে পুলিসকে পাঠিয়ে তাদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। 

Advertisement

দিন কয়েক আগে বীরভূম ও লাগোয়া ঝাড়খণ্ডে অতিবর্ষণ ও ব্যারেজের ছাড়া জলে ব্রাহ্মণী নদী ফুলে ফেঁপে ওঠে। যার জেরে নলহাটি ১ ব্লকের রামপুর ও রানিনগরের মাঝে ফুলারিতলার কাছে ব্রাহ্মণী নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে রামপুর, রানিনগর, মকরমপুর, কানুপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকার জমি জলের তলায় চলে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে একাধিক গ্রাম। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামতির কাজে হাত লাগায় সেচদপ্তর। ১৬ জুলাই এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের শিল্পদপ্তরের সচিব বন্দনা যাদব ও অর্থদপ্তরের সচিব দেবীপ্রসাদ করণম। কথা বললেন তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গেও। সেইসঙ্গে বাঁধ আরও মজবুত করার জন্য সেচদপ্তরকে নির্দেশ দিয়ে যান তাঁরা। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বাঁধের দুর্বল অংশ সংস্কারের কাজে হাত লাগিয়েছে সেচদপ্তর।
সেই মতো এদিন সকাল থেকে রানিনগর গ্রামের কাছে বাঁধের উপরে মাটি ফেলা শুরু করে সেচদপ্তর। গ্রামের বাসিন্দা জগন্নাথ মণ্ডল বলেন, বাঁধের দশ ফুটে দূর থেকে মাটি কেটে বাঁধে ফেলা হচ্ছে। যার ফলে ওই অংশে পাঁচ-সাত ফুট গর্ত হয়ে গিয়েছে। ১৯৯৮ সালের বর্ষায় বাঁধের এই অংশ ভেঙে যায়। বহু গ্রাম প্লাবিত হয়। যেভাবে বাঁধের কার্যত গোড়া থেকে মাটি কাটা হচ্ছে তাতে ২৭ বছর আগেকার ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এদিন গ্রামবাসীরা প্রতিবাদের পাশাপাশি মাটি কাটার ছবি তুলে পুলিসের কাছে পাঠান। পরে পুলিসের হস্তক্ষেপে মাটি কাটা বন্ধ হয় বলে গ্রামবাসীদের দাবি। রামপুরহাট মহকুমা সেচ আধিকারিক সুদাম চৌধুরী বলেন, এরকম তো হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি দেখে নিচ্ছি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ