Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা, সমস্যায় গ্রামবাসীরা

ঢালাই তো দূরের কথা। আজ পর্যন্ত রাস্তায় একটি ইটও পাতা হয়নি।

বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা, সমস্যায় গ্রামবাসীরা
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:০৮
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ঢালাই তো দূরের কথা। আজ পর্যন্ত রাস্তায় একটি ইটও পাতা হয়নি। মাটির রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করেন নামখানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃতীয় ঘেরির ভুঁইয়াপাড়ার বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, এই এলাকার সামনের অংশে ঢালাই রাস্তা রয়েছে। কিন্তু প্রায় ৩০০ মিটার রাস্তা আজও মাটির রয়ে গিয়েছে। অথচ এটি গ্রামের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই রাস্তার পিছনে ও দুই পাশে কয়েক হাজার বিঘা কৃষি জমি ও পানের বরজ রয়েছে। ওই চাষের জমিতে ও পানের বরজে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন প্রচুর মানুষকে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এছাড়াও এই রাস্তার দুই পাশে বেশ কয়েকটি পরিবার রয়েছে। এদিকে, এক পশলা বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তাটিতে হাঁটুসমান কাদা হয়ে যায়। তখন সেই কাদা ঘেঁটে সবাইকে যাতায়াত করতে হয়। বিশেষত বর্ষাকালে কোনও বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়লে গ্রামবাসীদের খুবই সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। তাঁকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে হয়। রাত হলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। তখন ওই রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করাই বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। গ্রামবাসীদের দাবি, বিভিন্ন দপ্তরে এই সমস্যার কথা জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। এবিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা শ্রীমতি ধল বলেন, বর্ষাকালে নলকূপ থেকে জল আনতে গিয়ে খুবই সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। অনেক মহিলা কাদা রাস্তায় পা পিছলে কলসি নিয়ে পড়ে যান। বর্ষাকালে এই গ্রামের পড়ুয়ারা সাইকেল নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে না। ছোট শিশুরাও কেউ স্কুলে যেতে পারে না। নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রিয়াঙ্কা দাস বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। যদি এমন পরিস্থিতি হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই ইট অথবা ঢালাইয়ের রাস্তা করে দেওয়া হবে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ