Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এক ভূমিকর্তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট ভিজিল্যান্স কমিশনের, মাটিগাড়ায় একজনের জমি অন্যজনের নামে

এক ভূমিকর্তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট ভিজিল্যান্স কমিশনের, মাটিগাড়ায় একজনের জমি অন্যজনের নামে
  • ২৭ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: একজনের জমি অন্যজনের নামে! টানা এক বছর ধরে মাটিগাড়া ব্লকে এমন অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চালিয়ে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের এক কর্তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করেছে ভিজিল্যান্স কমিশন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্লক ভূমিদপ্তরের বিরুদ্ধে অনিয়মের একগুচ্ছ অভিযোগ উঠেছে। সমগ্র ঘটনা নিয়ে ভূমিদপ্তরের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। 

Advertisement

শিলিগুড়ি মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক টিনা ডুকপা অবশ্য বলেন, ভিজিল্যান্স তদন্ত নিয়ে কোনও কিছু জানা নেই। এ ব্যাপারে যা বলার কমিশনই বলতে পারবে। তবে এখন মাটিগাড়া সহ সমস্ত ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসে সুষ্ঠুমতো কাজকর্ম চলছে। কোথাও নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ নেই। খাস জমি দখলমুক্ত করার অভিযানও চলছে। ইতিমধ্যে চারটি ব্লকে বেশকিছু জমি উদ্ধার করা হয়েছে। শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন এলাকাগুলির মধ্যে মাটিগাড়া অন্যতম। উপনগরী, বেশকিছু সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, নার্সিংহোম, মার্কেট  কমপ্লেক্স তৈরির পর এই ব্লকে জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে অভিযোগ। প্রশাসন সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে জমি নিয়ে একটি অনিয়মের অভিযোগ ভিজিল্যান্স কমিশনে দাখিল হয়। অভিযোগ, মাটিগাড়ায় একজনের জমি অন্যজনের নামে করে দেওয়া হয়েছে। টানা একবছর ধরে তদন্ত চালিয়ে ভূমিদপ্তরের এক কর্তার বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্স কমিশনের উত্তরবঙ্গ জোনাল অফিস রিপোর্ট দাখিল করেছে। অন্যায়ভাবে একজনের জমি অন্যজনের নামে রেকর্ড ভুক্ত করা হয়েছে। যা ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে হয়েছে। প্রথমে অনলাইন সিস্টেমের জেরে সেই ত্রুটি হয়েছে বলে ভূমিদপ্তর বলার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তারা সেই ঘটনার স্বপক্ষে কোনও নথি দেখাতে পারেনি। তাই সেই অভিযোগ নিয়ে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের এক পদস্থ অফিসারের বিরুদ্ধে রাজ্য ভিজিল্যান্স কমিশনের রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা সামনে আসতেই মাটিগাড়া ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তৃণমূল কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, জমি, বালি খাদান, ক্র্যাশার ইউনিট খোলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সংশ্লিষ্ট ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। দিনের তুলনায় রাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বেশি সক্রিয়। তাই দপ্তরের ভূমিকা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা উচিত। তা হলে আরও অনেকের বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্স হতে পারে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ