নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ফের সিভিক ভলান্টিয়ারের তোলাবাজি ও দাদাগিরির অভিযোগ উঠল। এবার ঘটনাস্থল পশ্চিম বর্ধমান জেলার রানিগঞ্জ। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এনিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ‘বর্তমান’ ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
তবে ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রানিগঞ্জের রানিসায়র মোড়ে লরিচালকের থেকে টাকা দাবি করছে এক সিভিক ভলান্টিয়ার। ওই চালক টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে মারধরের চেষ্টা করে সে। পাশেই দাঁড়িয়ে এক পুলিস আধিকারিক মধ্যস্থতার চেষ্টা করছিলেন। তাঁর সামনেই ওই সিভিক নিজের পোশাক খুলে গেঞ্জি পরে লরিচালককে মারার চেষ্টা করে। লরিচালক নিজের মোবাইলে পুরো বিষয়টি ভিডিও করেন। সেই ভিডিওই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার শিল্পাঞ্চলের রাজনীতি সরগরম হয়ে ওঠে।
এদিন বিজেপি নেতাকর্মীরা এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করেন। বিজেপির জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, এটাই তো তৃণমূল সরকারের সিস্টেম। রাস্তায় বেরলেই পুলিসকে তোলা দিতে হয়। সিভিক ভলান্টিয়াররা তোলা সংগ্রহ করে। তাঁদের চাকরির কোনও ভবিষ্যত নেই। তাঁদের কাজকর্মের বিষয়েও সরকারের যেন কোনও দায় নেই। আমরা এঘটনার নিন্দা করছি।
তৃণমূলের রানিগঞ্জ শহর সভাপতি রূপেশ যাদব বলেন, সিভিক ভলান্টিয়ার কোনও দোষ করে থাকলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। তা বলে কথায় কথায় রাজ্য সরকার ও তৃণমূলকে দায়ী করা ঠিক নয়। বিজেপির একের পর এক নেতা তো যৌন কেলেঙ্কারিতে ধরা পড়ছে। ওদের মুখে সমালোচনা সাজে না।