সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্যে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধরের অভিযোগ উঠল উদয়নারায়ণপুরের পেঁড়ো থানার বসন্তপুরে। আক্রান্ত ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম শ্রীধর চক্রবর্তী। বাড়ি বসন্তপুরের চক্রবর্তীপাড়ায়। তিনি পেঁড়ো থানায় কর্মরত। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা ভাইরাল হওয়ায় সমালোচনা ঝড় উঠেছে। পুলিস দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে। ওই সিভিক ভলান্টিয়ার বলছেন, স্থানীয় বিজেপি নেতা লালুদা তাঁকে তৃণমূলের বদনাম করার পাশাপাশি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুরুচিকর মন্তব্য করতে বলেছেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রীধরকে কান ধরে ওঠবোস করানোর পাশাপাশি মাটিতে প্রণাম করতে বলা হচ্ছে। এই ঘটনায় সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিজেপির উদয়নারায়ণপুরের ৫ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি অভিজিৎ চক্রবর্তী ওরফে লালুর পাল্টা অভিযোগ, আমি শুনেছি ওই সিভিক ভলান্টিয়ার মদ্যপ অবস্থায় গালিগালাজ করছিল। সেইসময় কয়েকজন তাঁকে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করে। পাশাপাশি জোর করে আমার নাম বলিয়ে নেয়। শুক্রবার ভিডিওর বিষয়টি আমি জানতে পারি। অভিজিত চক্রবর্তীর দাবি, তাঁকে হেনস্তা করতেই এই ভিডিও বানানো হয়েছে। বসন্তপুরে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি হাসান সামিউল্লা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই। যখন ঘটনাটি ঘটেছে, তখন দলীয় কার্যালয়ে আমরা কেউ ছিলাম না। তাঁর অভিযোগ, ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর উপর ক্ষিপ্ত ছিল। সেকারণেই কয়েকজন যুবক তাঁকে হয়তো মারধর করেছে। এ নিয়ে হাওড়া গ্রামীণ জেলার পুলিস সুপার সুবিমল পাল বলেন, আমরা ভিডিও পেয়েছি। তার ভিত্তিতে সিভিক ভলান্টিয়ারকে হেনস্তার অভিযোগে দু’জনকে আটক করা হয়েছে।



