বার্মিংহাম: রানের পাহাড় খাড়া করেও অস্বস্তি চাপা থাকছে না টিম ইন্ডিয়ার। দ্বিতীয় টেস্টে ভারতীয় বোলিংয়ের দৈন্য দশা প্রকট। তার ফলেই এজবাস্টনে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পেয়ে গেল আয়োজক দল। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার মাইকেল ভনের মতে, ‘যশপ্রীত বুমরাহ ভারতের এক নম্বর বোলার। ওকে এই ম্যাচে খেলানো উচিত ছিল। তরতাজা থাকার জন্য সাতদিন কম নয়। তার পরেও কেন ওকে খেলানো হল না, সেটা বোধগম্য হয়নি। অবাক হয়েছি কুলদীপের মতো লেগ স্পিনারকে বসিয়ে রাখায়। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওর রেকর্ড খুবই ভালো। ভুলে গেলে হবে না, টেস্ট ম্যাচ পাঁচদিনের। খেলা যত গড়াবে স্পিনাররা সুবিধা পাবে। আর কুলদীপ উইকেট নেওয়ার ব্যাপারে খুবই পারদর্শী। দুই স্পিনার রেখেই যখন দল সাজাল, তখন অবশ্যই কুলদীপকে নেওয়া উচিত ছিল। তবে এই ম্যাচে ভারতই এগিয়ে। প্রথম টেস্টের মতো সহজ সহজ ক্যাচ না ফেললে গিলরা সিরিজে সমতাও ফেরাতে পারে।’
বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের আচমকা অবসরে অনেকেই শঙ্কিত হয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছে, টেস্ট ক্রিকেটের তাঁদের অভাব পূরণ করা সহজ হবে না। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্টে ভারতের টপ অর্ডার দারুণ সফল। যশস্বী, গিল, ঋষভরা প্রতিভার মর্যাদা রেখেছেন। তা দেখে মাইকেল ভনের ধারণা, ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার আরও বলেন, ‘হঠাৎ করে কোহলি, রোহিতের মতো মহাতারকার অবসর বড় ধাক্কা। কিন্তু তা দারুণভাবে সামলে নিয়েছে ভারতীয় ব্যাটাররা। প্রশংসা করতে হবে ক্যাপ্টেন গিলের। প্রবল চাপ উপেক্ষা করে দুই টেস্টেই বড় রান করেছে। এজবাস্টনে ওর ধ্রুপদী ডাবল-সেঞ্চুরি অনেকদিন মনে থাকবে। ক্যাপ্টেন সফল হলে দলের বাকি ক্রিকেটারদেরও ভালো করার তাগিদ জন্মায়। সেটা আমি ভারতের ব্যাটিংয়ে দেখতে পাচ্ছি। ঋষভ পন্থ খুবই প্রতিভাবান। হেডিংলেতে দুই ইনিংসে শতরান করে সেটা ও দেখিয়েছে। ওপেনার হিসেবে যশস্বীর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংও ইংল্যান্ডের বোলারদের চাপ বাড়াচ্ছে। আমার বিশ্বাস, কোহলি, রোহিতের মতো গিল, ঋষভরা ভারতীয় ক্রিকেটকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যেতে সফল হবে।’