Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলমগ্ন বনগাঁ-বারাসতের বিস্তীর্ণ এলাকা, দুর্গতদের জন্য খোলা হল ১৪টি ত্রাণ শিবির

টানা বৃষ্টিতে বনগাঁ ও বারাসত ও বসিরহাটের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। চারিদিকে জল আর জল। বেড়েছে সাপ ও কীটপতঙ্গ। অনেকের বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে।

জলমগ্ন বনগাঁ-বারাসতের বিস্তীর্ণ এলাকা, দুর্গতদের জন্য খোলা হল ১৪টি ত্রাণ শিবির
  • ৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৬:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: টানা বৃষ্টিতে বনগাঁ ও বারাসত ও বসিরহাটের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। চারিদিকে জল আর জল। বেড়েছে সাপ ও কীটপতঙ্গ। অনেকের বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। তাই বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ ত্রাণ শিবিরে আশ্র‍য় নিয়েছেন দুর্গতরা। এই পরিস্থিতিতে বীরভূম সফর থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলপ্লাবিত এলাকার মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিককে। তাঁর নির্দেশের পর বুধবার বনগাঁ, বাগদা, গাইঘাটা সহ বিভিন্ন জলমগ্ন এলাকা, ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করেন নারায়ণ-পার্থ। আজ, বৃহস্পতিবার বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য সার্বিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য একটি ভিডিও কনফারেন্স হবে। সেখানে সমস্ত দপ্তরের আধিকারিকরা ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন।

Advertisement

বনগাঁ মহকুমায় জল নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হল ইছামতী নদী ও যমুনা, পদ্মা খাল। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পলি জমে জলধারণ ক্ষমতা কমে গিয়েছে। পদ্মা, যমুনা খাল ও ইছামতী নদী উপচে ভাসিয়ে দিয়েছে জনবসতি এলাকা। জুলাই মাসের অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বনগাঁর ঘাটবাওড়, গোপালনগরের আকাইপুর, গাইঘাটার রামনগর পঞ্চায়েত সহ বাগদা ব্লকের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন। লাগাতার বৃষ্টির জেরে আকাইপুরের বেদপাড়া গ্রামের কয়েকটি কাঁচাবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জল জমেছে চাষের জমি থেকে বাসিন্দাদের ঘরের ভিতরও। জলযন্ত্রণা নিয়েই দিন কাটাতে হয়েছে বাসিন্দাদের। জমা জলে বাড়ছে সাপের উপদ্রব। হাঁটু সমান জল পেরিয়ে কাজকর্মে যেতেও সমস্যায় পড়েছেন জলবন্দি মানুষগুলি। তার উপর রয়েছে ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভ। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর তড়িঘড়ি ত্রাণ শিবিরের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৪টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে শতাধিক পরিবারকে জলমগ্ন এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই নারায়ণ গোস্বামী, পার্থ ভৌমিক, বিশ্বজিৎ দাস সহ অনান্যরা এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ঘাটবাওড় পঞ্চায়েতের পাইকপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে ১২টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। সেখানে গিয়ে নারায়ণ-পার্থরা গিয়ে আশ্রিতদের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়াও গাইঘাটা ব্লকের রামনগর পঞ্চায়েতের বিলচাতুরিয়া ফ্লাড সেন্টার পরিদর্শন করেন। সেন্টারে ১১টি পরিবারের ৫৪ জনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। গোপালনগরের আকাইপুর পঞ্চায়েতের ত্রাণ শিবিরে গিয়ে অশ্রিতদের সঙ্গে কথা বলেন পার্থ ভৌমিকের এবং বিশ্বজিৎ দাস।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ