Bartaman Logo
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

নানা রকম

কসবা সুরঞ্জনী সাংস্কৃতিক সংস্থার রজত জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষ্যে এক মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিড়লা আকাদেমি সভাগৃহে।

নানা  রকম
  • ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠান

Advertisement

কসবা সুরঞ্জনী সাংস্কৃতিক সংস্থার রজত জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষ্যে এক মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিড়লা আকাদেমি সভাগৃহে। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন রাজশ্রী ঘোষ, সুকান্ত চক্রবর্তী ও অভিজিৎ মজুমদার। শ্রী রাগের পূরবী ঠাঠের তিনটি তালের বর্ণনা দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন রাজশ্রী। ‘কার মিলন চাও বিরহী’, ‘আইল শান্তসন্ধ্যা’, ‘তুমি কিছু দিয়ে যাও’, ‘কতদিন গতিহীন’ সহ বেশ কিছু স্বল্পশ্রুত গান প্রসঙ্গক্রমে রাগসঙ্গীতের উদাহরণ হিসাবে শিল্পীদের কণ্ঠে মনোগ্রাহী হয়ে ওঠে। তানপুরায় ছিলেন সুকান্ত চক্রবর্তী ও অভিজিৎ মজুমদার। যন্ত্রসংগীতে সহযোগিতা করেন অম্লান হালদার ও জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন অনুপ মতিলাল, দেবাশিস রায়চৌধুরি সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

গানে ফিউশন

এস ডি বর্মন, আর ডি বর্মনের গান নিয়ে মঞ্চে আয়োজিত হল ‘গানে ফিউশন: সিজন ৪’। উপস্থাপনায় ঊষা উত্থুপ, শুভেন চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচী, অন্বেষা দত্তগুপ্ত, পোর্শিয়া সেন, গৌরব সরকার। গানের নানা গল্প নিয়ে ছিলেন মীর। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সহায়তা করা হয় হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের। নজরুল মঞ্চে ‘অ্যালগোস ইভেন্টস অ্যান্ড ডেকোর’-এর উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল এই অনুষ্ঠানে। কিংবদন্তি শিল্পীদের জীবন ও সংগীত যাত্রার আকর্ষণীয় ও স্মরণীয় বেশ কিছু ঘটনার কথা তুলে ধরা হয় মঞ্চে। আয়োজক সংস্থার কর্ণধার দেবাশিস সাহা জানালেন, ‘গত তিনটি সিজন ধরে ‘গানে ফিউশন’ জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সহায়তা করে আসছে। এবারও সংগীত ও মানবতাকে একসূত্রে বেঁধে দিয়েছে। সবাইকে ধন্যবাদ এরকম একটি মহৎ উদ্দেশ্যে অবদান রেখে অসহায় শিশুদের জন্য আশার আলো জাগিয়ে তোলার জন্য।’  

নাচে গানে মধুরব

সম্প্রতি গিরিশ মঞ্চে গান ও নাচের এক সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দিল ‘মধুরব’। প্রথম নিবেদন ছিল ‘কাল তরঙ্গ’। রাঙা মাটির সই নানা গানের মালায় সাজিয়ে ছিল কাল তরঙ্গের গানের ডালি। সময়ের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের প্রতিবন্ধকতাকে পেরিয়ে উৎসবের আনন্দে মাতে গ্রাম বাংলার মানুষ। মাস অনু্যায়ী সেই সব লোকগান হয়ে ওঠে প্রান্তিক মানুষদের বিনোদনের প্রেরণা। ঝাপান, ভাদু, টুসু, গাজনের গানে মঞ্চ মাতালেন সুমিতা সমাদ্দার, মিঙ্কু রায়, কেকা গঙ্গোপাধ্যায়, রুবি দত্ত, সায়ন্তিকা দাস ও সমর্পিতা দাস। তালবাদ্যে সঙ্গত দিলেন শিখরেশ বসু। নৃত্য পরিবেশন করেন মধুরবের নৃত্যশিল্পীরা। থিম নির্ভর এই নৃত্যানুষ্ঠানে মূলত কত্থক নৃত্য পরিবেশিত হলেও আধুনিক নৃত্যকেও স্থান দেওয়া হয়েছে। জয় গোস্বামীর ‘মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয়’ কবিতার উপর ভিত্তি করে শ্রাবণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাচ সকলের নজর কাড়ে। ভাষ্যপাঠে বিজয়লক্ষী বর্মন ও শ্রাবণী। রচনা অনিন্দিতা পালের। 
তাপস কাঁড়ার

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ