ডাম্বুলা: বিধ্বংসী বৈভব সূর্যবংশী। ১৫ বছর বয়সি ওপেনারের তাণ্ডবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে উড়িয়ে দিল ভারত ‘এ’। জয় এল ৬৬ রানের বড়োসড়ো ব্যবধানে। ৩৭৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে হোমটিমের সংগ্রহ ৩১১।
ডাম্বুলা: বিধ্বংসী বৈভব সূর্যবংশী। ১৫ বছর বয়সি ওপেনারের তাণ্ডবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে উড়িয়ে দিল ভারত ‘এ’। জয় এল ৬৬ রানের বড়োসড়ো ব্যবধানে। ৩৭৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে হোমটিমের সংগ্রহ ৩১১।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বৈভবের দাপটে ঝোড়ো শুরু করে টিম ইন্ডিয়া। মাত্র ১১ বলে পঞ্চাশে পৌঁছয় বিস্ময় কিশোর। লিস্ট এ ক্রিকেটে এটাই দ্রুততম অর্ধশতরান। ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার কৌশল্যা বীরাত্নের ১২ বলে পঞ্চাশকে টপকে যায় সে। পঞ্চাশে পৌঁছানোর পথে পাঁচটি ছয় ও পাঁচটি চার মারে বৈভব। প্রিয়াংশ আর্যর (৩৯) সঙ্গে তার ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১৩২। সেঞ্চুরি নিশ্চিত দেখাচ্ছিল বৈভবের। কিন্তু মাত্র ৬ রানের জন্য তা হাতছাড়া হয়। ২৯ বলে ৯৪ করে ফেরে বিহারের সমস্তিপুরের চাঞ্চল্যকর প্রতিভা। তার ইনিংস সাজানো ১০টা চার ও ৮টা ছক্কায়। ক্যাপ্টেন তিলক ভার্মা (৬৭), ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৪০), অনুকূল রায় (৩৯), কুমার কুশাগ্র (৩৬), বিপরাজ নিগম (২৭) ভারত ‘এ’ দলকে পৌঁছে দেন ৯ উইকেটে ৩৭৭ রানে। বিশাল রান তাড়া করতে হলে শুরুতে বড়ো পার্টনারশিপ দরকার ছিল শ্রীলঙ্কার। কিন্তু তা হয়নি। নিয়মিত উইকেট হারায় তারা। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে নজর কাড়েন যশ ঠাকুর (৩-৪৫), বিপরাজ (৩-৬০) ও অনুকুল (২-৪২)।
ম্যাচের সেরা বৈভব জানায়, ‘নিজের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে চেয়েছিলাম। প্রথম ১০ ওভারে মারার বল মাঠের বাইরে পাঠানোই ছিল লক্ষ্য।’ উল্লেখ্য, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালেও ম্যাচের সেরা হয়েছিল সে। নিজেকে বড়ো ম্যাচের খেলোয়াড় হিসেবেই দ্রুত প্রমাণিত করছে বৈভব। সামনেই আয়ারল্যান্ড সফর। সেখানে সম্ভবত সিনিয়র দলের জার্সি প্রথমবার গায়ে উঠবে বাঁ হাতি ওপেনারের।