স্পেন- ৪ : সৌদি আরব- ০
স্পেন- ৪ : সৌদি আরব- ০
বোস্টন: প্রথম এগারোয় ফিরলেন লামিনে ইয়ামাল। আর তাতেই তুবড়ির মতো জ্বলে উঠল স্প্যানিশ আর্মাডা। ১৮ বছরের তরুণ যেন গোটা দলের মেজাজটাই পালটে দিলেন। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিরতিতেই ৩-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল লুই ডে লা ফুয়েন্তে ব্রিগেড। গোলের খাতা খুলেছিলেন ইয়ামাল। এরপর জোড়া লক্ষ্যভেদ ওয়ারজাবালের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আত্মঘাতী গোল হাসানের। সংযোজিত সময়ে অফসাইডের জন্য ফেরান তোরেসের গোল বাতিল না হলে ব্যবধান আরও বাড়ত। দু’ম্যাচে স্পেনের পয়েন্ট এখন ৪।
আগের ম্যাচে কেপ ভার্দের রক্ষণের প্রাচীরে ধাক্কা খেয়েছিল তিকিতাকা। প্রচুর পাস খেললেও গোল আসেনি। রিহ্যাবে থাকা ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসকে পরে নামিয়েও সঙ্গী হয়েছিল হতাশা। এদিন স্প্যানিশ কোচ ফুয়েন্তে কোনো পরীক্ষা নিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটেননি। ইয়ামালকে এনে শুরু থেকে প্রেসিং ফুটবল খেলালেন দলকে। লিড পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ১১ মিনিটে বিপক্ষ বক্সের বাঁ দিকে বল পেয়ে অনবদ্য মাইনাস করেছিলেন ওয়ারজাবাল। সামনে শরীর ছুড়ে বল জালে পাঠান ইয়ামাল (১-০)। বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম গোল। লায়োনেল মেসি, এমবাপেরা ইতিমধ্যেই ফর্মের ঝলক দেখিয়েছেন। ইয়ামাল কবে ম্যাজিক দেখাবেন? তর সইছিল না স্প্যানিশ সমর্থকদের। রবিবারের গোলে যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান। গোলের লকগেট খুললেন স্প্যানিশ উইং হাফ। ২১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ওয়ারজাবাল। জটলা থেকে বল পেয়ে জাল কাঁপাতে ভুল করেননি তিনি (২-০)। সৌদি আরবের দুর্ভোগের তখনও বাকি। ভেসে আসা বল হেড করে নামিয়েছিলেন কুকুরেয়া। তারপর ড্যানি ওলমোর থেকে বল পেয়ে লক্ষ্যভেদ ওয়ারজাবালের (৩-০)। ম্যাচের বয়স তখন ২৪ মিনিট।
লা রোহা ব্রিগেডের পাসিং ফুটবলে ক্রমশ চৌপাট সৌদির রক্ষণ। পেড্রি, রড্রিদের দাপটে মাঝমাঠের যাবতীয় ব্লকিং উধাও। একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়ে সৌদির রক্ষণে। দুই উইং ব্যাক পেড্রো ও কুকুরেয়া হুহু করে উঠে আসেন আক্রমণে। ৪৯ মিনিটে কর্নার থেকে আত্মঘাতী গোলের পর সৌদি অবশ্য লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে। কিন্তু পাসের ফুলঝুরিতে অসহায়ই দেখায় তাদের।