বেঙ্গালুরু: বৈভব সূর্ববংশী মানেই বিস্ময়! ১৫ বছর বয়সেই আন্তর্জিাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। ব্যাটার হিসাবে প্রতিভার সাক্ষরও রেখেছে এরমধ্যে। এই বয়সেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল নজিরও গড়ল বৈভব। দলীপ ট্রফির সেমি-ফাইনালে উত্তরাঞ্চলের বিরুদ্ধে ম্যাচে চোট পেয়ে পূর্বাঞ্চল অধিনায়ক ঈশান কিষান মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতেই নেতৃত্বের দায়িত্ব এসে পড়ে বৈভবের কাঁধে। কারণ, সে-ই দলের সহ-অধিনায়ক। আর তা যে অপাত্রের হাতে পড়েনি, সেটা বোঝা যায় ডিআরএসের দুরন্ত সিদ্ধান্তে। তার জেরে ফিরতে হয় উত্তরাঞ্চলের আরিয়ান জুয়ালকে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটা বৈভবের দশম ম্যাচ। এবারের দলীপ ট্রফিতে সে-ই ঈশানের ডৈপুটি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে মাত্র ৮ করে সে। তবে বল হাতে নেয় দু’উইকেট। এদিন মধ্যাঞ্চল ইনিংসের ১৯তম ওভারে ডান হাতে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান ঈশান। উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব তাই পালন করতে হয় কুমার কুশাগ্রকে। আর নেতৃত্ব দায়ভার পড়ে বৈভবের কাঁধে। জুয়ালের আউটের ক্ষেত্রে পূর্বাঞ্চলের অন্য ক্রিকেটাররা যখন অনিশ্চিত, তখন সহজাত প্রবণতায় বৈভব ৩ সেকেন্ড বাকি থাকতে নেয় ডিআরএস। সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা নেটদুনিয়ার চর্চার বিষয়ে পরিণত। চাপের মুখে বিস্ময় কিশোরের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এতে প্রতিফলিত। প্রথম দিন মধ্যাঞ্চলের ইনিংসে দাঁড়ি পড়ে ২৬৬ রানে। রিঙ্কু সিং (৬০), জুয়াল (৪৬), যশ ঠাকুর (অপরাজিত ৩০) রান পান। ক্যাপ্টেন রজত পাটীদারের সংগ্রহ ১২। পূর্বাঞ্চলের হয়ে বল হাতে সফল অভিজিৎ সরকার (৩-৩৮), মুকেশ কুমার (৩-৫৬), মহম্মদ সামি (২-৪২)। অন্য সেমি-ফাইনালে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইনিংস থেমে গেল ১৯৫ রানে। কাভেরাপ্পা নেন ৪ উইকেট। জবাবে প্রথম দিনের শেষে দক্ষিণাঞ্চল ২ উইকেটে তুলেছে ৪০।