সংবাদদাতা, বহরমপুর: উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব থেকে নতুন আলু ঢুকতে শুরু করেছে মুর্শিদাবাদে। তবে ভিন রাজ্যের নতুন আলুর দাম শুনে অনেকেই পিছিয়ে আসছেন। গত শনিবার পর্যন্ত বহরমপুরে নতুন আলু ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। দাম কিছুটা নেমে সোমবারের বাজারে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণময়ী বাজারের সব্জি বিক্রেতা দীনেশ মণ্ডল বলেন, শৌখিন কিছু মানুষ নতুন আলু কিনছেন। এছাড়া নবান্ন উৎসবে অনেকেই নতুন আলু ঘরে তুলবেন। পাশাপাশি স্থানীয় হিমঘরের আলুর দামও কেজিতে দু’টাকা হারে বেড়েছে। সোমবার স্থানীয় পোখরাজ আলু ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। জ্যোতি আলুর দাম ৪০ টাকা কেজি। আলুর দাম আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান আলু ব্যবসায়ীদের। তবে জোগান বাড়লে ভিন রাজ্যের নতুন আলুর দাম আরও কমবে।
Advertisement
ঘূর্ণিঝড় ডানার প্রভাবে এবার মুর্শিদাবাদে আলুর চাষ প্রায় কুড়ি দিন পিছিয়ে গিয়েছে। সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই বাজারে নতুন আলুর আমদানি হতে শুরু করে। এবার জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরুর আগে নতুন আলু বাজারে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। হিমঘরে মজুত আলুই এখন ভরসা। আলু ব্যবসায়ীদের দাবি, এই পরিস্থিতিতে হিমঘরে মজুত আলু দিয়ে ঘাটতি মেটানো যাবে না।
মুর্শিদাবাদে মোট আটটি হিমঘর রয়েছে। আটটি হিমঘরে আলুর ধারণ ক্ষমতা ৭১ হাজার মেট্রিক টন। আজ পর্যন্ত ৮১ শতাংশ আলু খালি হয়েছে। মজুত আলুর ১০ শতাংশ রয়েছে ব্যবসায়ীদের হাতে। বাকি ৯ শতাংশ চাষিদের হাতেই রয়েছে। এদিকে পাঞ্জাবের আলুর বীজের দাম হু হু করে বাড়ায় বহু চাষি হিমঘরের মজুত আলুই বীজ হিসাবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে খাবার আলুর জোগানে কিছুটা হলেও ঘাটতি পড়বে বলেই মনে করছেন আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকরা। আলু ব্যবসায়ী জিতেন পাল বলেন, আলু ব্যবসায়ীরা বীজের কালোবাজারি শুরু করায় শেষের দিকে দাম প্যাকেট প্রতি ৫০০-৬০০ টাকা বেড়েছে। দাম দেখে বহু চাষি বাধ্য হয়ে পাঞ্জাবের বীজের দিক থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করেছেন।
কোল্ড স্টোর মালিক জীবন শেখ বলেন, হিমঘরে যে আলু মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ডিসেম্বর মাস পার হতে পারে। জানুয়ারি মাসের দিন দশেক খাবার আলুর ঘাটতি হবে। তবে ভিন রাজ্যের আলু সে ঘাটতি পূরণ করে দেবে।
কিন্তু এক শ্রেণির ব্যবসায়ীর অনুমান, বাজারে আলুর ঘাটতি দেখা দিলে পাঞ্জাব, ইউপি, বিহারের আলুর দাম নীচে নামবে না। ফলে এবার এই জেলায় আলুর দাম ৪০ টাকা কেজির নীচে নামবে না বলেই অনেকে আশঙ্কা করছেন। একাংশের ধারণা, সব্জির উৎপাদন বেড়েছে। সব্জির দাম কমতেও শুরু করেছে। ফলে ঘরে ঘরে আলুর ব্যবহার কমবে। আলু ব্যবসায়ী পলাশ ঘোষ বলেন, বাজারে সব্জির আমদানি বাড়লে মানুষ হেঁশেলে আলুর ব্যবহার কমিয়ে আনেন। এবার আলুর চড়া দাম। সস্তায় অন্য সব্জি মিললে আলুর ঘাটতি সেভাবে ধাক্কা দিতে পারবে না।
মুর্শিদাবাদে মোট আটটি হিমঘর রয়েছে। আটটি হিমঘরে আলুর ধারণ ক্ষমতা ৭১ হাজার মেট্রিক টন। আজ পর্যন্ত ৮১ শতাংশ আলু খালি হয়েছে। মজুত আলুর ১০ শতাংশ রয়েছে ব্যবসায়ীদের হাতে। বাকি ৯ শতাংশ চাষিদের হাতেই রয়েছে। এদিকে পাঞ্জাবের আলুর বীজের দাম হু হু করে বাড়ায় বহু চাষি হিমঘরের মজুত আলুই বীজ হিসাবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে খাবার আলুর জোগানে কিছুটা হলেও ঘাটতি পড়বে বলেই মনে করছেন আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকরা। আলু ব্যবসায়ী জিতেন পাল বলেন, আলু ব্যবসায়ীরা বীজের কালোবাজারি শুরু করায় শেষের দিকে দাম প্যাকেট প্রতি ৫০০-৬০০ টাকা বেড়েছে। দাম দেখে বহু চাষি বাধ্য হয়ে পাঞ্জাবের বীজের দিক থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করেছেন।
কোল্ড স্টোর মালিক জীবন শেখ বলেন, হিমঘরে যে আলু মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ডিসেম্বর মাস পার হতে পারে। জানুয়ারি মাসের দিন দশেক খাবার আলুর ঘাটতি হবে। তবে ভিন রাজ্যের আলু সে ঘাটতি পূরণ করে দেবে।
কিন্তু এক শ্রেণির ব্যবসায়ীর অনুমান, বাজারে আলুর ঘাটতি দেখা দিলে পাঞ্জাব, ইউপি, বিহারের আলুর দাম নীচে নামবে না। ফলে এবার এই জেলায় আলুর দাম ৪০ টাকা কেজির নীচে নামবে না বলেই অনেকে আশঙ্কা করছেন। একাংশের ধারণা, সব্জির উৎপাদন বেড়েছে। সব্জির দাম কমতেও শুরু করেছে। ফলে ঘরে ঘরে আলুর ব্যবহার কমবে। আলু ব্যবসায়ী পলাশ ঘোষ বলেন, বাজারে সব্জির আমদানি বাড়লে মানুষ হেঁশেলে আলুর ব্যবহার কমিয়ে আনেন। এবার আলুর চড়া দাম। সস্তায় অন্য সব্জি মিললে আলুর ঘাটতি সেভাবে ধাক্কা দিতে পারবে না।



