নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় সক্রিয় জঙ্গি ‘স্লিপাল সেল’। কোথাও ফেরিওয়ালা ও শিক্ষকের বেশে বিস্তার করা হয়েছে জাল। আবার কোথাও শ্বশুরকে বাবা সাজিয়ে তৈরি করা হয়েছে ডেরা। যাদের টার্গেট ‘চিকেন নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর। বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি) ও আল কায়েদার বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে এমন তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। যা পুলিস ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। এজন্য তারা শিলিগুড়ি শহর, বাংলাদেশ ও নেপাল সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে।
Advertisement
মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থেকে এবিটি’র দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করার পর আলিপুরদুয়ার জেলায় জঙ্গি স্লিপার সেলের হদিশ মিলেছে। পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট জেলার পাশেই প্রতিবেশী রাজ্য অসম। পাশে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটান। এমনকী সেখান থেকে কোচবিহার জেলা হয়ে সহজে পাড়ি দেওয়া যেতে পারে বাংলাদেশে। এমন ভৌগোলিক অবস্থানের জেরে সংশ্লিষ্ট জেলার ফালাকাটায় ঘাঁটি তৈরির ছক কষে এবিটি। এজন্য মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থেকে ধৃত মিনারুল শেখ দিনমজুরের বেশে অসম হয়ে ফালাকাটায় এসেছিল এবং সেখানে সে মিটিং করে বলেও খবর। এজন্যই সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিসি টহল, নাকাচেকিং বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে ভারতীয় নাগরিকত্বের জাল নথি তৈরির হদিশ মেলে ফালাকাটায়। সেই সময় কিছু বাংলাদেশির আনাগোনার খবরও পাওয়া যায়। পুলিসের এক অফিসার জানান, এবিটি’র স্লিপার সেল সম্পর্কে কিছু তথ্য মিলেছে। সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
এদিকে, প্রায় আড়াই বছর আগে কোচবিহার জেলার দিনহাটায় মেলে আল কায়েদার স্লিপার সেলের হদিশ। দিনহাটার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শ্রীলঙ্কা গ্রামে সন্দেহভাজন আল কায়েদা জঙ্গি সইফুদ্দিন ডেরা বেঁধে ছিল। মানসাই নদীর চরে অবস্থিত গ্রামটি। সেখান থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বে বাংলাদেশের লালমণিহাট জেলার মোগলহাট। বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে সেই গ্রামে এসে আস্তানা গাড়ে সইফুদ্দিন। গ্রামের এক যুবতীকে বিয়ে করার পর শ্বশুরকে বাবা সাজিয়ে সে ভোটার তালিকায় নাম তোলে। তার সঙ্গে আল কায়েদার সংস্রব মেলায় ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট সংশ্লিষ্ট গ্রামে হানা দেয় রাজ্য পুলিসের এসটিএফ। পুলিস গ্রামে যাওয়ার আগেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত। এখনও সে অধরা। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, শ্রীলঙ্কা দ্বীপ থেকে সহজে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব। সেজন্যই ওই গ্রামে আস্তানা গাড়ছে জঙ্গিরা।
এরবাইরে আল কায়েদার জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র খুঁজতে কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির কাছে ফুলবাড়ি এবং কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। তারা ফুলবাড়ি থেকে একজনকে আটক করে দীর্ঘক্ষণ জেরাও করেছিল। সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলি পর্যালোচনার পর গোয়েন্দাদের সন্দেহ, শুধু ফালাকাটা বা শ্রীলঙ্কা নয়, উত্তরবঙ্গের হলদিবাড়ি, ফুলবাড়ি, ইসলামপুর, মালদহ সহ বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশি জঙ্গিদের স্লিপার সেল রয়েছে। বিভিন্ন বেশে সেগুলি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সেখানে মগজধোলাই করে যুবকদের জেহাদি জঙ্গি তৈরি করাই সেলের লক্ষ্য। এদের টার্গেট শিলিগুড়ি করিডরে হামলা চালানো ও অশান্ত করা।
এজন্যই নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিস। বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এবং নেপাল সীমান্তে এসএসবি নজরদারি বাড়িয়েছে। বিএসএফের এক অফিসার বলেন, জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে জওয়ানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে ভারতীয় নাগরিকত্বের জাল নথি তৈরির হদিশ মেলে ফালাকাটায়। সেই সময় কিছু বাংলাদেশির আনাগোনার খবরও পাওয়া যায়। পুলিসের এক অফিসার জানান, এবিটি’র স্লিপার সেল সম্পর্কে কিছু তথ্য মিলেছে। সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
এদিকে, প্রায় আড়াই বছর আগে কোচবিহার জেলার দিনহাটায় মেলে আল কায়েদার স্লিপার সেলের হদিশ। দিনহাটার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শ্রীলঙ্কা গ্রামে সন্দেহভাজন আল কায়েদা জঙ্গি সইফুদ্দিন ডেরা বেঁধে ছিল। মানসাই নদীর চরে অবস্থিত গ্রামটি। সেখান থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বে বাংলাদেশের লালমণিহাট জেলার মোগলহাট। বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে সেই গ্রামে এসে আস্তানা গাড়ে সইফুদ্দিন। গ্রামের এক যুবতীকে বিয়ে করার পর শ্বশুরকে বাবা সাজিয়ে সে ভোটার তালিকায় নাম তোলে। তার সঙ্গে আল কায়েদার সংস্রব মেলায় ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট সংশ্লিষ্ট গ্রামে হানা দেয় রাজ্য পুলিসের এসটিএফ। পুলিস গ্রামে যাওয়ার আগেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত। এখনও সে অধরা। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, শ্রীলঙ্কা দ্বীপ থেকে সহজে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব। সেজন্যই ওই গ্রামে আস্তানা গাড়ছে জঙ্গিরা।
এরবাইরে আল কায়েদার জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র খুঁজতে কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির কাছে ফুলবাড়ি এবং কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ। তারা ফুলবাড়ি থেকে একজনকে আটক করে দীর্ঘক্ষণ জেরাও করেছিল। সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলি পর্যালোচনার পর গোয়েন্দাদের সন্দেহ, শুধু ফালাকাটা বা শ্রীলঙ্কা নয়, উত্তরবঙ্গের হলদিবাড়ি, ফুলবাড়ি, ইসলামপুর, মালদহ সহ বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশি জঙ্গিদের স্লিপার সেল রয়েছে। বিভিন্ন বেশে সেগুলি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সেখানে মগজধোলাই করে যুবকদের জেহাদি জঙ্গি তৈরি করাই সেলের লক্ষ্য। এদের টার্গেট শিলিগুড়ি করিডরে হামলা চালানো ও অশান্ত করা।
এজন্যই নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিস। বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এবং নেপাল সীমান্তে এসএসবি নজরদারি বাড়িয়েছে। বিএসএফের এক অফিসার বলেন, জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে জওয়ানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।



