নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শুধু মালদহ নয়, উত্তরবঙ্গের একাধিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পাতা নিয়ে আপত্তি তুলেছে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযোগ, জালনোট ও গোরুপাচার সহ চোরাচালনকারীদের সহযোগিতা করতেই বিজিবি এমন আপত্তি করছে। এনিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ভারতীয় সীমান্ত গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা মালদহের মতো বিএসএফের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামার কথা জানিয়েছেন। এদিকে, বৃহস্পতিবার ফের এক বাংলাদেশিকে পাকড়াও করেছে বিএসএফ। তিন দিনে এনিয়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে ধরা পড়েছে নয় বাংলাদেশি।
Advertisement
পদ্মাপাড়ে ডামাডোল অব্যাহত। এজন্য ভারতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে। তা রুখতে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পাতার প্রকল্প নিয়েছে বিএসএফ। প্রশাসন সূত্রের খবর, বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৯৩৬ কিলোমিটার। যার মধ্যে বেশকিছু এলাকা এখনও উন্মুক্ত। কয়েক মাস ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে এলাকাগুলিতে লোহার রড পোঁতা হয়েছে। কিন্তু মালদহের কালিয়াচকের মতো কিছু এলাকায় বিজিবি’র আপত্তিতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া থমকে রয়েছে বলে অভিযোগ।
সেই তালিকায় শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বন্দরগছ গ্রাম অন্যতম। একই অবস্থা মেখলিগঞ্জের দহগ্রাম এবং দিনহাটার লটকবাড়ি সীমান্তে। এই অবস্থায় বন্দরগছের দুই গৃহবধূ সুনীতি গোফ ও রেবা সরকার বলেন, বিএসএফের জন্যই সীমান্ত গ্রামে শান্তিতে রয়েছি। মালদহের গ্রামবাসীদের মতো আমরা সর্বদা বিএসএফের পাশে রয়েছি। দেশ রক্ষা করতে বিএসএফের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামব। এজন্য প্রস্তুত রয়েছি। মেখলিগঞ্জ ও দিনহাটার গ্রামের বাসিন্দাদেরও একই বক্তব্য।
সকলেরই অভিযোগ, জালনোট ও গোরু পাচারকারী সহ চোরাচালানকারীদের সঙ্গে আঁতাত রয়েছে বিজিবি’র। সেজন্যই ওরা বেড়া পাতা নিয়ে আপত্তি করছে। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অফিসাররা অবশ্য বলেন, উন্মুক্ত সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি থমকে থাকা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ ফের শুরু করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ অব্যাহত। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দীঘিপাড়া গ্রাম থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে বিএসএফ। তার নাম মহম্মদ সামসুল ইসলাম। বাংলাদেশের দিনাজপুরে তার বাড়ি। তার কাছ থেকে ১১ হাজার ১৪০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। সে ভুল করে এপারে প্রবেশ করে বলে জানায়। পরে তাকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বুধবার হিলি থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরা হয়। সোমবার মেখলিগঞ্জ ও উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে সাত বাংলাদেশিকে ধরা হয়। তিন দিনে ন’জন বাংলাদেশি ধরা পড়েছে। বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে জওয়ানরা সতর্ক রয়েছে।
সেই তালিকায় শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বন্দরগছ গ্রাম অন্যতম। একই অবস্থা মেখলিগঞ্জের দহগ্রাম এবং দিনহাটার লটকবাড়ি সীমান্তে। এই অবস্থায় বন্দরগছের দুই গৃহবধূ সুনীতি গোফ ও রেবা সরকার বলেন, বিএসএফের জন্যই সীমান্ত গ্রামে শান্তিতে রয়েছি। মালদহের গ্রামবাসীদের মতো আমরা সর্বদা বিএসএফের পাশে রয়েছি। দেশ রক্ষা করতে বিএসএফের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামব। এজন্য প্রস্তুত রয়েছি। মেখলিগঞ্জ ও দিনহাটার গ্রামের বাসিন্দাদেরও একই বক্তব্য।
সকলেরই অভিযোগ, জালনোট ও গোরু পাচারকারী সহ চোরাচালানকারীদের সঙ্গে আঁতাত রয়েছে বিজিবি’র। সেজন্যই ওরা বেড়া পাতা নিয়ে আপত্তি করছে। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অফিসাররা অবশ্য বলেন, উন্মুক্ত সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি থমকে থাকা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ ফের শুরু করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ অব্যাহত। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দীঘিপাড়া গ্রাম থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে বিএসএফ। তার নাম মহম্মদ সামসুল ইসলাম। বাংলাদেশের দিনাজপুরে তার বাড়ি। তার কাছ থেকে ১১ হাজার ১৪০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। সে ভুল করে এপারে প্রবেশ করে বলে জানায়। পরে তাকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বুধবার হিলি থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরা হয়। সোমবার মেখলিগঞ্জ ও উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে সাত বাংলাদেশিকে ধরা হয়। তিন দিনে ন’জন বাংলাদেশি ধরা পড়েছে। বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে জওয়ানরা সতর্ক রয়েছে।



