সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্লাস্টিকের বোতল ক্র্যাশার বসাল শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। হাসপাতালে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরিতে এবার থেকে শিলিগুড়ি পুরসভার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে মহকুমা পরিষদ। সোমবার ক্র্যাশারের উদ্বোধনের পর একথা বলেন পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ। ক্র্যাশার বসানোর ফলে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে প্লাস্টিকের স্যালাইনের বোতল, জলের বোতল সহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক রিসাইক্লিংয়ের উপযোগী করে টুকরো টুকরো করে কাটা হবে।
Advertisement
মহকুমা পরিষদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক।
তিনি বলেন, প্লাস্টিকের স্যালাইনের বোতল ও জলের বোতল ফেলা আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিল। হাসপাতালকে পরিষ্কার রাখতে এই ক্র্যাশার বিশেষভাবে সাহায্য করবে। বিজ্ঞান সম্মতভাবে এই চিকিৎসা বর্জ্য এবার থেকে রিসাইক্লিং করা হবে। শুধু ক্র্যাশারই নয়, হাসপাতালের জমা জঞ্জাল অপসারণের জন্য মহকুমা পরিষদ সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজও হাতে নিয়েছে। অরুণবাবু বলেন, এই প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। ডাম্পিং গ্রাউন্ড নয়, আমরা সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট তৈরি করেছি, যেখানে সব জঞ্জাল নিয়ে গিয়ে পৃথকীকরণ করা হবে। তারপর সেটাকে প্রক্রিয়াকরণের মধ্য দিয়ে রিসাইকেল করা হবে। এতে সব সমস্যার সমাধান হবে।
এদিকে, এদিন একটি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় দার্জিলিং জেলায় দু’টি জায়গায় এই ক্র্যাশার বসেছে। একটি ক্র্যাশারে সাড়ে চার লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আগামী দিনে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ক্র্যাশার বসানো হবে বলে জানান অরুণ ঘোষ। তিনি বলেন, পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে সোলার ড্রিঙ্কিং ওয়াটার সিস্টেম বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বায়ো গ্যাস প্লান্ট তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে সভাধিপতি, হাসপাতাল সুপার ছাড়াও মাটিগাড়া-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কৃষ্ণ সরকার উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, প্লাস্টিকের স্যালাইনের বোতল ও জলের বোতল ফেলা আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিল। হাসপাতালকে পরিষ্কার রাখতে এই ক্র্যাশার বিশেষভাবে সাহায্য করবে। বিজ্ঞান সম্মতভাবে এই চিকিৎসা বর্জ্য এবার থেকে রিসাইক্লিং করা হবে। শুধু ক্র্যাশারই নয়, হাসপাতালের জমা জঞ্জাল অপসারণের জন্য মহকুমা পরিষদ সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজও হাতে নিয়েছে। অরুণবাবু বলেন, এই প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। ডাম্পিং গ্রাউন্ড নয়, আমরা সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট তৈরি করেছি, যেখানে সব জঞ্জাল নিয়ে গিয়ে পৃথকীকরণ করা হবে। তারপর সেটাকে প্রক্রিয়াকরণের মধ্য দিয়ে রিসাইকেল করা হবে। এতে সব সমস্যার সমাধান হবে।
এদিকে, এদিন একটি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় দার্জিলিং জেলায় দু’টি জায়গায় এই ক্র্যাশার বসেছে। একটি ক্র্যাশারে সাড়ে চার লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আগামী দিনে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ক্র্যাশার বসানো হবে বলে জানান অরুণ ঘোষ। তিনি বলেন, পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে সোলার ড্রিঙ্কিং ওয়াটার সিস্টেম বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বায়ো গ্যাস প্লান্ট তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে সভাধিপতি, হাসপাতাল সুপার ছাড়াও মাটিগাড়া-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কৃষ্ণ সরকার উপস্থিত ছিলেন।



