সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: বেলা ৩টে। ঠান্ডার আমেজ। সেই সময় একটি ধর্মীয় সংস্থার স্টলের সামনে বসে চার যুবক-যবতী। তাঁদের গায়ে গরম পোশাক। পিঠে ব্যাগ। তাঁদের মধ্যে একজন কমলা লেবুর খোসা ছাড়াচ্ছিলেন। বাকিরা ধর্মীয় সংস্থার সমাজ সেবার পোস্টার দেখছিলেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন রবিবার এমন দৃশ্য ধরা পড়ে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ বই মেলায়। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করতেই একজন পোস্টার দেখিয়ে বলেন, পদ্মাপারে সেবামূলক কাজ করছে সংস্থাটি। তা সত্ত্বেও সন্ন্যাসীদের উপর অত্যাচার, মানা যায় না। সঙ্গে সঙ্গে আরএকজন বলেন, বাংলাদেশ রসাতলে গিয়েছে। এর বিরুদ্ধে ভারতীয়দের সরব হতে হবে।
Advertisement
ওই ধর্মীয় স্টলের সন্ন্যাসীরা অবশ্য বলেন, এটা বই মেলা। এখানে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অস্থিরতার ছবি তুলে ধরিনি। তা হলেও সেই দেশের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইছেন অনেকে। ধৃত সন্ন্যাসীর অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে শান্তির বার্তা দিচ্ছি। এজন্য বিশ্বব্যাপী কীর্তন চলছে।
এদিন দুপুরেই মেলায় ঝাপ খোলে অধিকাংশ স্টলের। প্রতিটিতেই ছিল ক্রেতাদের ভিড়। কেউ কেউ দু’দণ্ড সময় নিয়ে বইয়ের পাতা উল্টেপাল্টে দেখছিলেন। আবার কেউ কেউ বইও কেনেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই মেলা ময়দানে উপচে পড়ে ভিড়। বিশেষ করে যুবক-যুবতীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন স্টলে ভিড় জমান লেখকরাও। তাঁদের কেউ কেউ বইয়ে সই করে পাঠকের সঙ্গে ছবি তোলেন। ক্রেতাদের কেউ কেউ পছন্দের বুকস্টল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ কিংবা মেলার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন।
ইতিমধ্যেই মেলার দু’দিন অতিক্রম করেছে। এদিন ছিল তৃতীয় দিন। এদিন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর লেখা বই সহ বেশকিছু লেখকের বই প্রকাশিত হয়েছে। সবমিলিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের মেলা প্রাঙ্গণ ছিল ভিড়ে জমজমাট। এনিয়ে উদ্যোক্তারা রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। গ্রেটার শিলিগুড়ি পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন উত্তরবঙ্গ বই মেলার আয়োজন করেছে। মেলা পরিচালন কমিটির আহ্বায়ক মধুসূদন সেন বলেন, এবার মেলার ৪২তম বর্ষ। ‘মোবাইল ছাড়, বই ধর’ এটাই স্লোগান। গতবছরের তুলনায় এবার মেলায় ভিড় বাড়ছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া মিলছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
উত্তরবঙ্গের বই মেলাগুলির মধ্যে এটা অন্যতম। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকাশনা সংস্থা এখানে বইয়ের সম্ভার নিয়ে এসেছেন। মেলা কমিটির আহ্বায়ক বলেন, এই মেলায় রেকর্ড বই বিক্রি হয়। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। যারজন্য বিভিন্ন সংস্থা তাদের স্টলের আয়োতন গত বছরের তুলনায় বাড়িয়েছে। গতবছর মেলায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে যাবে বলেই আশা করছি।
এদিন দুপুরেই মেলায় ঝাপ খোলে অধিকাংশ স্টলের। প্রতিটিতেই ছিল ক্রেতাদের ভিড়। কেউ কেউ দু’দণ্ড সময় নিয়ে বইয়ের পাতা উল্টেপাল্টে দেখছিলেন। আবার কেউ কেউ বইও কেনেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই মেলা ময়দানে উপচে পড়ে ভিড়। বিশেষ করে যুবক-যুবতীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন স্টলে ভিড় জমান লেখকরাও। তাঁদের কেউ কেউ বইয়ে সই করে পাঠকের সঙ্গে ছবি তোলেন। ক্রেতাদের কেউ কেউ পছন্দের বুকস্টল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ কিংবা মেলার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন।
ইতিমধ্যেই মেলার দু’দিন অতিক্রম করেছে। এদিন ছিল তৃতীয় দিন। এদিন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর লেখা বই সহ বেশকিছু লেখকের বই প্রকাশিত হয়েছে। সবমিলিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের মেলা প্রাঙ্গণ ছিল ভিড়ে জমজমাট। এনিয়ে উদ্যোক্তারা রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। গ্রেটার শিলিগুড়ি পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন উত্তরবঙ্গ বই মেলার আয়োজন করেছে। মেলা পরিচালন কমিটির আহ্বায়ক মধুসূদন সেন বলেন, এবার মেলার ৪২তম বর্ষ। ‘মোবাইল ছাড়, বই ধর’ এটাই স্লোগান। গতবছরের তুলনায় এবার মেলায় ভিড় বাড়ছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া মিলছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
উত্তরবঙ্গের বই মেলাগুলির মধ্যে এটা অন্যতম। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকাশনা সংস্থা এখানে বইয়ের সম্ভার নিয়ে এসেছেন। মেলা কমিটির আহ্বায়ক বলেন, এই মেলায় রেকর্ড বই বিক্রি হয়। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। যারজন্য বিভিন্ন সংস্থা তাদের স্টলের আয়োতন গত বছরের তুলনায় বাড়িয়েছে। গতবছর মেলায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে যাবে বলেই আশা করছি।



