নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আগামী দু’মাসের মধ্যে জঙ্গিপুরে চালু হবে দমকল কেন্দ্র। সোমবার রাজ্যের মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর একথা বলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। একই সঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের পাহাড় থেকে সমতল পর্যন্ত আট জেলায় তৈরি করা হবে আরও কয়েকটি দমকল কেন্দ্র। অগ্নিকাণ্ডের মোকাবিলায় রাজ্যে আরও ৭৫টি নতুন গাড়ি কেনা হবে।
Advertisement
অন্যদিকে, দোকান, বাড়ি তৈরি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফায়ার সেফ্টি লাইসেন্স নিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। দমকল বিভাগের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট কমিটির বৈঠকে এমন অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। মন্ত্রী অবশ্য বলেন, ওই সমস্যা মেটাতে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ছোট এলাকায় দোকান করার পর সেল্ফ ডিক্লারেশন বা ঘোষণাপত্র দাখিল করলেই ফায়ার সেফ্টি লাইসেন্স মিলবে। কোনও অসুবিধা হবে না।
দমকল বিভাগের সহকারী প্রধান সচিব মনোজ আগরওয়াল বলেন, ফায়ার সেফ্টি সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। অনেক সময় সেই সফটওয়্যারে সমস্যা হয়। যা মাইক্রো, স্মল ও মিডিয়াম এন্টারপ্রেনার দপ্তরের অধীনে। কাজেই ওই সমস্যার জন্য দমকল বিভাগ দায়ী নয়। তাই ফায়ার সার্টিফিকেটের জন্য এখন থেকে হাতেও আবদেন করা যাবে। শীঘ্রই এজন্য বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্পও করা হবে।
এদিন উত্তরকন্যায় দমকল বিভাগের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিক ও একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন দমকলমন্ত্রী। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা বৈঠকে দমকল কেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকের পরে মন্ত্রী বলেন, জঙ্গিপুরে দমকল কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। শীঘ্রই তা চালু করা হবে। উত্তরবঙ্গের সুখিয়াপোখরি, গোরুবাথান, ইটাহার, তাগদা, সোনাদা, ডুয়ার্সের বানারহাট
প্রভৃতি এলাকায় নয়া কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের মোকাবিলার জন্য
ড্রোন ও রোবট আনা হয়েছে। র্যাডারের সংখ্যা বাড়ানো হবে। ২৫০০, ৫০০০ এবং ১৪ হাজার লিটারের ৭৫টি নতুন গাড়ি নামানো হবে।
দমকল বিভাগের সহকারী প্রধান সচিব মনোজ আগরওয়াল বলেন, ফায়ার সেফ্টি সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। অনেক সময় সেই সফটওয়্যারে সমস্যা হয়। যা মাইক্রো, স্মল ও মিডিয়াম এন্টারপ্রেনার দপ্তরের অধীনে। কাজেই ওই সমস্যার জন্য দমকল বিভাগ দায়ী নয়। তাই ফায়ার সার্টিফিকেটের জন্য এখন থেকে হাতেও আবদেন করা যাবে। শীঘ্রই এজন্য বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্পও করা হবে।
এদিন উত্তরকন্যায় দমকল বিভাগের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিক ও একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন দমকলমন্ত্রী। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা বৈঠকে দমকল কেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকের পরে মন্ত্রী বলেন, জঙ্গিপুরে দমকল কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। শীঘ্রই তা চালু করা হবে। উত্তরবঙ্গের সুখিয়াপোখরি, গোরুবাথান, ইটাহার, তাগদা, সোনাদা, ডুয়ার্সের বানারহাট
প্রভৃতি এলাকায় নয়া কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের মোকাবিলার জন্য
ড্রোন ও রোবট আনা হয়েছে। র্যাডারের সংখ্যা বাড়ানো হবে। ২৫০০, ৫০০০ এবং ১৪ হাজার লিটারের ৭৫টি নতুন গাড়ি নামানো হবে।



