সংবাদদাতা শান্তিনিকেতন: উত্তর নারায়ণপুর গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় রবিবার রাতে ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে শান্তিনিকেতন থানার পুলিস। সোমবার ধৃতদের বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। কী কারণে এমন নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটেছে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনার পিছনে রাজনীতির কোনও কারণ নেই বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃতের পরিবার।
Advertisement
শনিবার গভীর রাতে উত্তর নারায়ণপুর গ্রামে বেধড়ক মারধর করা হয় পার্শ্ববর্তী পারুলডাঙা গ্রামের সমীর থাণ্ডারকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি পারুলডাঙা গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযোগ, মারধরের খবর শুনে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাঁচাতে গেলে তাঁদেরকেও মারধর করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে আসে শান্তিনিকেতন থানার পুলিস। তারা সমীরবাবুকে উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রবিবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়। তারপরই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছ’জনকে আটক করে পুলিস। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে তিনজন মহিলা ও তিনজন পুরুষ। সোমবার তাদের বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। সেখানে বিচারক সমরজিৎ রায় তাদের পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
সরকারি আইনজীবী ফিরোজ পাল বলেন, পারুলডাঙা গ্রামের সমীর থাণ্ডারকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় তিনজন মহিলা সহ ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে শুধু এই বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই কী কারণে তাঁকে মারধর করা হয়, সেই বিষয়টি সঠিক তদন্তের পর জানা যাবে। মৃতের স্ত্রী মামনি থাণ্ডার বলেন, রাতে কেউ ডাকলে যেতে বারণ করতাম। নিশ্চয়ই পরিকল্পনা করেই এমনভাবে খুন করা হয়েছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে তিনজন মহিলা ও তিনজন পুরুষ। সোমবার তাদের বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। সেখানে বিচারক সমরজিৎ রায় তাদের পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
সরকারি আইনজীবী ফিরোজ পাল বলেন, পারুলডাঙা গ্রামের সমীর থাণ্ডারকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় তিনজন মহিলা সহ ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে শুধু এই বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই কী কারণে তাঁকে মারধর করা হয়, সেই বিষয়টি সঠিক তদন্তের পর জানা যাবে। মৃতের স্ত্রী মামনি থাণ্ডার বলেন, রাতে কেউ ডাকলে যেতে বারণ করতাম। নিশ্চয়ই পরিকল্পনা করেই এমনভাবে খুন করা হয়েছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।



