নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: প্রান্তিক এলাকায় রেশন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে উত্তর দিনাজপুর জেলাজুড়ে নতুন ডিলারশিপ দেওয়া শুরু করেছে খাদ্য সরবরাহ দপ্তর। সর্বমোট ১৭৬টি জায়গায় নতুন ওই ডিলারশিপ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দপ্তর। প্রশাসনের আশা এতে প্রান্তিক গ্রামগুলিতে দুয়ারে রেশন পরিষেবা আরও সরল হবে। রেশন উপভোক্তারা লাভবান হবেন।
Advertisement
জেলায় সর্বমোট ২৮ লক্ষ রেশন উপভোক্তা আছেন। যাঁদের রেশন বণ্টন করতে বর্তমানে কাজ করেছেন ৫৭২ জন ডিলার। দপ্তর উপলব্ধি করেছে, দিন দিন রেশন গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সামঞ্জস্য রেখে বাড়েনি রেশন ডিলার সংখ্যা। এই অবস্থায় অনেক জায়গাতেই দুয়ারে রেশন নিয়ে অভাব অভিযোগ ওঠে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, বহু রেশন ডিলারের অধীনে ১০ হাজারের বেশি গ্রাহক হয়েছে। যাঁদের দুয়ারে রেশন পৌঁছতে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এমন আবহেই নতুন করে রেশন ডিলার নিযুক্ত করার ব্যবস্থাপনা শুরু হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার খাদ্য নিয়ামক সঞ্জীব হালদার বলেন, জেলায় আরও বেশি জায়গায় রেশন প্রক্রিয়া ছড়িয়ে দিতে নতুন করে ডিলার দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দুয়ারে রেশন কর্মসূচি যাতে আরও সফল হয় তার জন্যই ১৭৬ জনকে নতুন করে নিযুক্ত করা হয়েছে। ডিলারশিপ নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। দপ্তরের তরফে যথাযথ নিয়ম পালন করে গোটা প্রক্রিয়া যাতে সম্পন্ন হয়, তার জন্য কাজ চলছে। ইতিমধ্যে আবেদন খতিয়ে দেখে ৬২ জনকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
খাদ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রেশন ডিলার হতে কয়েকটি ব্লকে যেমন মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। তেমনই কিছু জায়গায় একটিও আবেদন জমা পড়েনি। চোপড়ায় একটি জায়গায় রেশন ডিলার হওয়ার আবেদন জমা পড়েছে ২২ জনের। কোথাও কোথাও একজন, কোথাও একাধিক জন আবেদন করছেন। সব ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে তদন্ত করে ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে। যাঁদের নথিপত্র সন্তোষজনক তাঁদের অনুমোদন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। বিভাগীয়ভাবেও এব্যাপারে ধাপে ধাপে তদন্ত হচ্ছে।
খাদ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রেশন ডিলার হতে কয়েকটি ব্লকে যেমন মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। তেমনই কিছু জায়গায় একটিও আবেদন জমা পড়েনি। চোপড়ায় একটি জায়গায় রেশন ডিলার হওয়ার আবেদন জমা পড়েছে ২২ জনের। কোথাও কোথাও একজন, কোথাও একাধিক জন আবেদন করছেন। সব ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে তদন্ত করে ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে। যাঁদের নথিপত্র সন্তোষজনক তাঁদের অনুমোদন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। বিভাগীয়ভাবেও এব্যাপারে ধাপে ধাপে তদন্ত হচ্ছে।



