নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনতে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেতে হয় সাধারণ ক্রেতাদের। ভিনরাজ্য থেকে আনার জন্য পেঁয়াজের দাম অনেকসময়ই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এবার জেলায় জেলায় পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের বিশেষভাবে উৎসাহ দিচ্ছে উদ্যানপালন দপ্তর।
Advertisement
রাজ্য সরকার এবারই প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩৭৫ বিঘা জমিতে শীতকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য ভর্তুকি দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। জেলার প্রত্যেক ব্লকের উৎসাহী চাষিদের থেকে নেওয়া হচ্ছে আবেদনপত্র।
উদ্যানপালন দপ্তর জানিয়েছে, এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের বীজের দাম, বীজতলা তৈরি, ওষুধ ও অনুখাদ্য প্রয়োগ, রোগপোকা নিবারণের জন্য রাসায়নিক বাবদ বিঘাপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হবে। যে কোনও কৃষক সর্বোচ্চ ৩ বিঘা জমি ও সর্বনিম্ন ০.৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য এই ভর্তুকি পেতে পারেন।
গত কয়েকবছর ধরে জেলায় পেঁয়াজ চাষ বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। কারণ বছরের বিভিন্ন সময় নাসিক সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে আনা পেঁয়াজের আকাশছোঁয়া দাম হয়ে যায়। যেটা রাজ্যের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হয়। তাই জেলায় পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর জন্যই এ ধরনের ভর্তুকির ব্যবস্থা। জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক সন্দীপ মহন্ত বলেন, এবারই প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩৭৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য ভর্তুকি দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
প্রত্যেক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য ৪ হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে। ভর্তুকি পেতে এখনও পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ জনের আবেদনপত্র দপ্তরে জমা পড়েছে। সীমিত সংখ্যায় হলেও আমরা প্রত্যেক ব্লক থেকে আবেদনকারী কৃষকদের পেঁয়াজ চাষে উৎসাহ দিতে চাই। আমাদের অনুমান সার্বিকভাবে নতুন এই ভর্তুকির ফলে জেলার অন্তত ৩০০ জন চাষি উপকৃত হবেন। দপ্তর সূত্রে খবর, ৫১৩ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা রয়েছে।
উদ্যানপালন দপ্তর জানিয়েছে, এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের বীজের দাম, বীজতলা তৈরি, ওষুধ ও অনুখাদ্য প্রয়োগ, রোগপোকা নিবারণের জন্য রাসায়নিক বাবদ বিঘাপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হবে। যে কোনও কৃষক সর্বোচ্চ ৩ বিঘা জমি ও সর্বনিম্ন ০.৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য এই ভর্তুকি পেতে পারেন।
গত কয়েকবছর ধরে জেলায় পেঁয়াজ চাষ বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। কারণ বছরের বিভিন্ন সময় নাসিক সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে আনা পেঁয়াজের আকাশছোঁয়া দাম হয়ে যায়। যেটা রাজ্যের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হয়। তাই জেলায় পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর জন্যই এ ধরনের ভর্তুকির ব্যবস্থা। জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক সন্দীপ মহন্ত বলেন, এবারই প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩৭৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য ভর্তুকি দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
প্রত্যেক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য ৪ হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে। ভর্তুকি পেতে এখনও পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ জনের আবেদনপত্র দপ্তরে জমা পড়েছে। সীমিত সংখ্যায় হলেও আমরা প্রত্যেক ব্লক থেকে আবেদনকারী কৃষকদের পেঁয়াজ চাষে উৎসাহ দিতে চাই। আমাদের অনুমান সার্বিকভাবে নতুন এই ভর্তুকির ফলে জেলার অন্তত ৩০০ জন চাষি উপকৃত হবেন। দপ্তর সূত্রে খবর, ৫১৩ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা রয়েছে।



