ইসলামপুর: লোকসভা নির্বাচনে উত্তর দিনাজপুরে ভাল ফল করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এর অন্যতম কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা ও গোষ্ঠী কোন্দল। পরের বছর বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এবার জেলায় সংগঠনে রদবদল নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বিশেষ দলীয় সাংগঠনিক অধিবেশন ডাকা হয়েছে। সেখানে যোগ দিতে বুধবার রাত পর্যন্ত উত্তর দিনাজপুর জেলার আমন্ত্রিতরা রওনা হয়েছেন। দলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, জেলা থেকে প্রায় ৫০০ জন যাবেন কলকাতায়। ওই অধিবেশন থেকে সাংগঠনিক রদবদলের ঘোষণা হওয়ার তেমন কোনও খবর নেই।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়াল হেরে যাওয়ার পর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জেলা সভাপতি পদে বসান। পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পরিচালিত ইসলামপুর পুরসভার চেয়ারম্যানও। তবে চিন্তা বাড়িয়েছে, ইসলামপুরের দলীয় বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী ও কানাইয়ালাল অনুগামীদের দুই গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে যাওয়া। কানাইয়া ঘনিষ্ঠ ব্লক সভাপতি জাকির হুসেনকেও ব্লক সভাপতি হিসেবে মানেন না করিম। কার্যত করিম-কানাইয়া দ্বন্দ্ব না মিটলে নির্বাচনে তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। যুব তৃণমূলের মধ্যেও গোষ্ঠী কাজিয়া লেগে আছে। পাশাপাশি জেলায় একাধিক প্রভাবশালী নেতা নিজেদের পরিবারেই গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে বসে আছেন। নিচুতলা বলছে, নেতৃত্বের একাংশের হামবড়াই ভাব ক্ষতি করছে। বুথ থেকে অঞ্চল, ব্লক ও জেলা স্তর পর্যন্ত সবাইকে এক সুতোয় বাঁধতে কিছু রদবদল হতে পারে বলে চর্চা চলছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে। এপ্রসঙ্গে গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি বলেন, রদবদল সম্পর্কে আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। দলনেত্রীই সব সিদ্ধান্ত নেবেন।



