ওয়াশিংটন: বহুদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে দুই এআই সংস্থার শীর্ষ কর্তার মধ্যে। তাঁরা হলেন ওপেন এআই-র সিইও স্যাম অল্টম্যান ও অ্যানথ্রোপিকের সিইও দারিও আমোদেই। সেই কারণে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে আয়োজিত এআই সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মঞ্চে পাশাপাশি হাত ধরে ছবি তোলেননি তাঁরা। বিগত কয়েকমাস ধরে এ নিয়ে প্রবল জল্পনা চলেছে। এবার সেবিষয়ে মুখ খুললেন মার্কিন এআই সংস্থা অ্যানথ্রোপিকের কর্ণধার দারিও আমোদেই। তাঁর কথায়, ‘ভারতের এআই সামিটে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এরইমাঝে হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবাইকে হাত ধরে ছবি তুলতে বলায় একটু অস্বস্তিতে পড়ে যাই। কী করব বুঝতে পারছিলাম না!’ সম্প্রতি ‘দ্য সারকিট’ নামে এক অনুষ্ঠানে বিখ্যাত সাংবাদিক এমিলি চ্যাং-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন আমোদেই।
দিল্লিতে এআই সম্মেলন নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। ‘মোদি ইজ কম্প্রোমাইজড’ স্লোগান যুব কংগ্রেসের জামা খুলে বিক্ষোভ, গালগোটিয়াস ইউনিভার্সিটির চীনা রোবোডগকে নিজেদের তৈরি দাবি করা এমন নানা কাণ্ডও ঘটে। রীতিমতো বিপাকে পড়েছিল মোদি সরকার। এবার এআই সামিট নিয়ে কটাক্ষ করলেন আমোদেই। তিনি বলেন,‘ওই সামিটে চূড়ান্ত অব্যবস্থা দেখা যায়। আমরা প্রায় শেষমুহূর্তে পৌঁছাই। এরপর মঞ্চে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার কথা বলা হয়। কিন্তু আমরা যেভাবে দাঁড়িয়েছিলাম, সেই ক্রম পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এরই মাঝে হঠাৎ নরেন্দ্র মোদি সবাইকে হাত ধরে দাঁড়াতে বলেন। তাড়াহুড়োয় কী করব বুঝতে পারিনি! দেখুন, আমি ভারতকে নিয়ে কোনো খারাপ কথা বলতে চাই না। তবে রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে আয়োজিত এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলিতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা যায়।’ বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ও মেদি সরকারকে একযোগে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি খোঁচা—‘আর্টিফিশিয়াল ইমেজ ম্যানেজমেন্ট।’ বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের দাবি, সাক্ষাৎকরটি এডিট করে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।