সংবাদদাতা, পতিরাম: রাজ্যজুড়ে বন্ধ উৎসশ্রী পোর্টাল। তার জেরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বদলি। কিন্তু এরপরও এক সার্কেল থেকে অন্য সার্কেলে বদলি হলেন বিজেপির শিক্ষক নেতা। এই বদলি ঘিরেই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে। এনিয়ে বিরোধী শিক্ষক সংগঠনগুলির মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বদলি হওয়া শিক্ষকের নাম অমরেন্দ্র মুস্তাফি। তিনি বর্তমানে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি পদে আছেন। যদিও ওই বিজেপি নেতার দাবি, অসুস্থতার কারণে আবেদনের ভিত্তিতে এই বদলি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সংসদ আবার সরাসরি রাজ্যের নির্দেশ বলে জানিয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, কে কী বলছে তা জানি না। তবে ওই বদলির নির্দেশ বিকাশ ভবন থেকেই এসেছে।
Advertisement
বদলি শিক্ষক তথা বিজেপি নেতা অমরেন্দ্র মুস্তাফির বাড়ি কুমারগঞ্জে। তিনি আগে কুশমণ্ডি সার্কেলে ছিলেন। তিনি বালুরঘাট শহরের একটি স্কুলে বদলি হয়েছেন। এই বদলি ঘিরে বিজেপির অন্দরে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। বিজেপি নেতা শিক্ষক অমরেন্দ্র মুস্তাফি বলেন, এখন আমার শরীর ভালো নেই। আমার অবসরের সময় হয়ে এসেছে। কুশমণ্ডি যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই এনিয়ে আবেদন করেছিলাম। মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে বদলি হয়ে বালুরঘাটে এসেছি।
তবে এনিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কিছুই বলতে চায়নি। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, মায়ের চিকিৎসার জন্য আমি জেলার বাইরে এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বলব। অন্যদিকে, তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সরকারি পদ্ধতি মেনেই বদলি হয়। বিশেষ গ্রাউন্ড দেখে অনেক সময় ড্রাফটের মাধ্যমে এই বদলিগুলি হয়। এখানে বিতর্কের কোনও অবকাশ নেই। নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ বলেন, উৎসশ্রী পোর্টাল বন্ধ রয়েছে। তাই সাধারণ বদলি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। ড্রাফটের মাধ্যমে এক সার্কেল থেকে অন্য সার্কেলে বদলিও বন্ধ রয়েছে। আমাদের সংগঠনের অনেক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে বদলির আবেদন করেছেন। তবুও বদলি করানো যাচ্ছে না। অথচ বিজেপির ওই জেলা নেতা বদলি হয়ে বালুরঘাটে চলে এলেন। তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং না থাকলে কোনওভাবেই এই বদলি সম্ভব নয়।
তবে এনিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কিছুই বলতে চায়নি। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, মায়ের চিকিৎসার জন্য আমি জেলার বাইরে এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বলব। অন্যদিকে, তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সরকারি পদ্ধতি মেনেই বদলি হয়। বিশেষ গ্রাউন্ড দেখে অনেক সময় ড্রাফটের মাধ্যমে এই বদলিগুলি হয়। এখানে বিতর্কের কোনও অবকাশ নেই। নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ বলেন, উৎসশ্রী পোর্টাল বন্ধ রয়েছে। তাই সাধারণ বদলি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। ড্রাফটের মাধ্যমে এক সার্কেল থেকে অন্য সার্কেলে বদলিও বন্ধ রয়েছে। আমাদের সংগঠনের অনেক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে বদলির আবেদন করেছেন। তবুও বদলি করানো যাচ্ছে না। অথচ বিজেপির ওই জেলা নেতা বদলি হয়ে বালুরঘাটে চলে এলেন। তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং না থাকলে কোনওভাবেই এই বদলি সম্ভব নয়।



