সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: সরকারি হাসপাতালের গা ঘেঁষে একের পর এক বেসরকারি ডায়গনস্টিক সেন্টার। অথচ খোদ কুশমণ্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে থমকে রয়েছে ইউএসজি পরিষেবা। হাসপাতাল থেকে মাত্র ১-২ মিটার দূরত্বে গজিয়ে ওঠা ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলিতে রোগীদের ভিড় বাড়লেও সরকারি হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের পরিকাঠামো কার্যত বেহাল। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করাতে গিয়ে হাসপাতালের চৌহদ্দি পেরিয়ে বেসরকারি কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হচ্ছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতাল লাগোয়া এলাকায় ডায়গনস্টিক সেন্টার গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে ন্যূনতম দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম কতটা মানা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে হাতে গোনা কয়েকটি রক্ত পরীক্ষা হয়। সপ্তাহে দু’দিন এক্স-রে পরিষেবা মিললেও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সুযোগ কার্যত নেই। ফলে প্রসূতি থেকে শিশু বিভিন্ন রোগের নির্ণায়ক পরীক্ষার জন্য রোগীদের নির্ভর করতে হচ্ছে বেসরকারি ডায়গনস্টিক সেন্টারের উপর। একসময় কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতির আর্থিক সহায়তায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে হাসপাতালে ইউএসজি পরিষেবা চালু হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই পরিষেবা বন্ধ। অভিযোগ, কুশমণ্ডি হাসপাতালের ইউএসজি মেশিন সরিয়ে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর জেরে সরকারি হাসপাতালে কম খরচে ইউএসজি করানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা দুর্বল থাকলে তার সুযোগ কি বেসরকারি ডায়গনস্টিক ব্যবসার প্রসারকে আরও ত্বরান্বিত করছে?



